cosmetics-ad

খাদ্য ও শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ ব্যয় করে কোরীয়রা

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩, সিউল:

দক্ষিণ কোরিয়ার সাধারণ মানুষ খাদ্য ও শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে থাকে। সম্প্রতি দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত কনজিউমার এজেন্সির (কেসিএ) এক জরিপে এ তথ্য জানানো হয়। খবর আরিরাং নিউজের।

জীবনধারণের ক্ষেত্রে কোন খাতগুলো সবচেয়ে বোঝা মনে হয়, এমন প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করেই জরিপটি পরিচালনা করা হয়। মোট দেড় হাজার মানুষের ওপর এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। এর এক-চতুর্থাংশই জানায়, তাদের বার্ষিক সর্বোচ্চ খরচ যায় খাবারের পেছনে। ব্যয়ের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শিক্ষা।

খাদ্য ও শিক্ষা খাতের ব্যয়ের পরই রয়েছে বাসস্থান ব্যয় ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের ব্যয়। তবে খাদ্য ও শিক্ষা খাতে নিজেদের সর্বোচ্চ ব্যয়ের বিষয়টি মেনে নিয়েই এ খাত দুটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় দেশটির জনগণ। জরিপে অংশ নেয়াদের বেশির ভাগই মনে করে, আমদানিকৃত খাদ্য, কৃষিজাত পণ্য, সামুদ্রিক পণ্য ও পশু তাদের অর্থনীতির জন্য বোঝার কারণ হয়ে উঠেছে।

images

তবে বিয়ে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া, পোশাক ও অন্যান্য বিষয়ে তাদের ব্যয়ের পরিমাণ কম বলে মনে করেন দেশটির নাগরিকরা। বিশ্লেষকদের মতে, এ জরিপ থেকে মূলত যে বিষয়টি উঠে এসেছে তা হলো, ধীরগতির অর্থনীতির কারণে দেশটির নাগরিকদের সামগ্রিক ব্যয়ের পরিমাণও ক্রমেই ধীরগতির হয়ে আসছে।

জরিপে আরো বলা হয়, ২০ বছর ও এর বেশি বয়সী নাগরিকদের অর্থনীতির ওপর আস্থা আরো কমে আসছে। এছাড়া আয় ক্রমেই কমে যাচ্ছে, এমন ধারণা পোষণ করা নাগরিকের সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এ ধরনের নাগরিকের সংখ্যা বেড়েছে এক-তৃতীয়াংশ। ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিম্ন আয়ের নাগরিকের পরিমাণ ছিল ১৮ শতাংশেরও কম। বর্তমানে দেশটির মাত্র ৬০ শতাংশ নাগরিক তাদের মধ্যম আয়ের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করে। মাত্র ১০ বছর আগেও দেশটিতে এ ধরনের লোকসংখ্যা ছিল ৮০ শতাংশ।

কেসিএ জানায়, এ জরিপে থেকে নাগরিকদের ওপর এ অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝার খাতগুলো উঠে এসেছে। এ সমস্যা সমাধানের জন্য আরো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথাও তুলে ধরে সংস্থাটি। সূত্রঃ বণিকবার্তা