cosmetics-ad

মুসলিম প্রতিবেশীর সঙ্গে থাকতে নারাজ ইউরোপের নাগরিকেরা

europe-muslim

প্রতিবেশী হিসেবে মুসলিমদের একেবারেই পছন্দ করছেন না ইউরোপিয়ানরা। সাম্প্রতি পাঁচ দেশের ১০ হাজার মানুষের উপর চালানো এক সমীক্ষায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে। ইউরোপের দেশগুলোতে ধর্মের গুরুত্ব ঠিক কতটা? কিংবা কেমন রয়েছে মুসলিম সমাজ? এই নিয়ে ধর্মীয় পর্যবেক্ষণ ২০১৭ নামের একটি প্রকল্পের অধীনে সমীক্ষা চালানো হয়। এই সমীক্ষার দায়িত্বে ছিল জার্মানির ব্রেটেলসম্যান স্টিফটাং ফাউন্ডেশন। জার্মানি, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ডের ১০ হাজার লোকের উপরে চালানো হয় সমীক্ষা। এই সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, ইউরোপের প্রতি পাঁচ জন নাগরিক চায় না যে তাদের প্রতিবেশী হোক মুসলিম পরিবার।

ব্রেটেলসম্যান স্টিফটাং ফাউন্ডেশনের মতে, ‘সমীক্ষায় অংশ নেওয়া শতকরা ২০ ভাগ মানুষ বলেছেন তারা মুসলিম প্রতিবেশী সঙ্গে নিয়ে বাস করতে আগ্রহী নয়। ‘ যদিও মুসলিম প্রেস নামক একটি সংস্থার দাবি উক্ত পাঁচ দেশের ৩১ শতাংশ নাগরিক প্রতিবেশী হিসেবে ইসলাম ধর্মের বিশ্বাসী মানুষদের পছন্দ করে না। ইউরোপ মহাদেশের মধ্যে অস্ট্রিয়াতে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যা সব থেকে বেশি (২৮ শতাংশ)। অন্যদিকে, সব থেকে ১৪ শতাংশ মুসলিম নাগরিক নিয়ে কনিষ্ঠ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স।

ব্রেটেলসম্যান স্টিফটাং ফাউন্ডেশনের করা সমীক্ষায় উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর নানাবিধ তথ্য। ইংল্যান্ড ছাড়া ইউরোপের সর্বত্র চাকরির ক্ষেত্রে চরমভাবে অবহেলিত মুসলিমরা। শুধুমাত্র ধর্মের কারণে যোগ্যতা থাকলেও উপযুক্ত চাকরি দেওয়া হয় না মুসলিমদের। এই প্রবণতা সব থেকে বেশি দেখা যায় জার্মানিতে। তবে আগের তুলনায় এখন ইউরোপের দেশগুলোতে অবস্থার উন্নতি হচ্ছে মুসলিমদের। এই তথ্যও পাওয়া গেছে ব্রেটেলসম্যান স্টিফটাং ফাউন্ডেশনের সমীক্ষায়।