sentbe-top

ছাত্রলীগের হামলায় রক্তাক্ত মাহমুদুর রহমান

mahmudur-rahmanকুষ্টিয়া আদালত প্রাঙ্গণে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাহমুদুর রহমান এজলাস থেকে বেরিয়ে এলে আদালত প্রাঙ্গণেই হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এতে মাহমুদুর রহমান রক্তাক্ত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আজ সকালে মাহমুদুর রহমান ৫০০ ধারার মানহানি মামলায় জামিন নিতে কুষ্টিয়া আদালতে যান। হাজির হওয়ার পর আদালত জামিনও মঞ্জুর করেন। মাহমুদুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে দুপুর ১২টা থেকেই আদালত এলাকায় জড়ো হয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তারা আদালত প্রাঙ্গণ ঘিরে রাখে।

দুপুর ১টার দিকে মাহমুদুর রহমান সঙ্গীদের নিয়ে আদালত থেকে বের হওয়ার মুহূর্তে আদালত ভবনের প্রতিটি দরজায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে আটকে দেয়। এ সময় তিনি পুনরায় আদালতের এজলাসে আশ্রয় নেন। পরে তিনি আদালত এলাকা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

mahmudur-rahman

এতে মাহমুদুর রহমানের মাথা, শরীর রক্তাক্ত হয়ে যায়। পরে তিনি মহিলা আইনজীবী সমিতির অ্যাডভোকেট সামস তামিম মুক্তির চেম্বারে গিয়ে আশ্রয় নেন। এ সময় সেখানেও হামলা চালায় ছাত্রলীগ। পরে পুলিশের পাহারায় ঢাকার পথে রওনার নির্দেশ দেন আদালত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাহমুদুর রহমানের ওপর ব্যাপকভাবে ইট-পাথর নিক্ষেপ করা হয়। এতে তিনি আহত হন। পরে তার গাড়িটিরও ভাঙচুর করে ছাত্রলীগের কর্মীরা।

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ কুষ্টিয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শামীম উল হাসান অপু জানান, দীর্ঘ সময় এ অবস্থা বিরাজ করায় বিষয়টি আদালতকে জানিয়ে মাহমুদুর রহমান লিখিতভাবে পুলিশ প্রোটেকশনের জন্য আবেদন করেন। পরে আদালত এলাকা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। তাকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

mahmudur-rahman

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিরুদ্দিন বলেন, ‘আমি এসব বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।’

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রীর ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক সম্পর্কে মানহানিকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ায় মামলা হয়। ওই মামলায় জামিন পেতে কুষ্টিয়া আদালতে যান তিনি। সেই মামলায় আজ তাকে জামিন দেন আদালত।

সৌজন্যে- আমাদের সময়

sentbe-top