cosmetics-ad

ওমানে অর্থাভাবে বাংলাদেশি স্কুল

oman-school

প্রবাসের কর্মব্যস্ততা যেন লেখাপড়ায় প্রভাব না পড়ে সেজন্য দেশটিতে ছেলে-মেয়েদের জন্য বাংলাদেশি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মরুময় দেশ ওমানে ১০ বছর আগে ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান হাসান এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এটি কলেজে রূপান্তরিত হয়েছে। কিন্তু নিয়মিত সরকারি সহযোগিতা না আসায় স্কুলের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান প্রতিষ্ঠাতা।

রাজধানী মাস্কাট থেকে ২২০ কি.মি. দূরে সাহাম নামক শহরে অবস্থিত। মরুভূমির দেশ ওমানে প্রায় ৮ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছে, এর মধ্যে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকে। বিদেশের মাটিতে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ায় প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। তাছাড়া বিদেশে ছেলে-মেয়েদের বাংলা ভাষা শিক্ষা দেয়ারও তেমন সুযোগ থাকে না।

ওমানের মাটিতে বাংলা ভাষায় সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার স্বপ্ন নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে ৪৮৮ জন শিক্ষার্থী। ওমানের মাটিতে এটিই একমাত্র বাংলাদেশি স্কুল। বাংলাদেশ ন্যাশনাল বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

sentbe-adএছাড়া ওমানে একমাত্র এই স্কুলটিতেই বাংলা এবং ইংলিশ মিডিয়ামে পাঠদান করা হয়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ছাড়াও ওমান, ভারত, মিসর ও পাকিস্তানের ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত পড়ালেখা করছে।

স্কুলটিতে বাংলাদেশি শিক্ষক শিক্ষিকা ছাড়াও ওমান, ভারত, পাকিস্তানসহ ২৪ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়মিত ক্লাস নেন। বর্তমানে নার্সারি থেকে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ার পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা চালু রয়েছে। রয়েছে স্কুলের একটি নিজস্ব ছাত্রাবাস।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি চরম অর্থাভাবে ভুগছে। এমতাবস্থায় স্কুলের সভাপতি সরকারের কাছে ও ওমানের বিশিষ্ট দানবীরদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন।