
রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে সড়ক অবরোধ করে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ করেছেন আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে এ কর্মসূচির সময় তাঁরা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমের কুশপুত্তলিকাও দাহ করেন।
এর আগে বিকেলে বুয়েট ক্যাম্পাস থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনার, টিএসসি, দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন, প্রেসক্লাব ও হাইকোর্ট হয়ে মৎস্য ভবনের সামনে পৌঁছান। তাঁদের লক্ষ্য ছিল ডিএমপি সদর দপ্তরে যাওয়া। তবে পুলিশ সেখানে বাধা দিলে মৎস্য ভবন মোড়েই অবস্থান নেন তাঁরা।
ফলে ওই এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কদম ফোয়ারার দিক থেকে শাহবাগমুখী আংশিক সড়কে ধীরগতিতে যান চলতে দেখা গেলেও মৎস্য ভবন মোড় পুরোপুরি অবরুদ্ধ ছিল। তবে শিক্ষার্থীরা অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে বাধা দেননি। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তাঁরা সড়ক ছেড়ে যান।

পরে বিক্ষোভকারীরা রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর সামনে অবস্থান নেন। এতে শাহবাগমুখী সড়কে আবারও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
শিক্ষার্থী শাহীন আল মোহাম্মদ তাসরিফ (বুয়েট, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ২০তম ব্যাচ) বলেন, “আমাদের আজ দুটি দাবি—প্রথমত, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে, ডিসি মাসুদকে বহিষ্কার করতে হবে এবং তাকেও ক্ষমা চাইতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের তিন দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।”

প্রসঙ্গত, তিন দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের শাহবাগ থেকে যমুনার দিকে লংমার্চ ঘিরে গতকাল বুধবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেড, কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও লাঠিপেটায় বহু শিক্ষার্থী আহত হন।






























