
দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা সরকারি অফিসে গিয়ে হয়রানির শিকার হন- এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করতে একটি বিশেষ অ্যাপ চালু হবে, যা ব্যবসায়ীদের হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা–২০২৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বিডা চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করা এখনো জটিল। নিবন্ধন কার্যক্রম কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। সরাসরি সরকারি অফিসে গেলে হয়রানির মুখে পড়তে হয়। আগামী বছর অ্যাপ চালু হলে উদ্যোক্তারা অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন।”
অনুষ্ঠানে তিনি শিল্প উপদেষ্টা, বিসিক ও বিভিন্ন শিল্প পার্কে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। এতে কৃষিজমি রক্ষা পাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে সাতদিনের এ মেলা, যেখানে প্রায় ৪০০ এসএমই প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।
বক্তারা জানান, এসএমই খাতে বর্তমানে সুদহার ১৫ শতাংশ, যা উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বেড়ে গেছে। এনজিও থেকে ঋণ নিলে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিতে হয়, ফলে পরিচালন ব্যয়ও বেড়ে যায়। এসএমই ক্রেডিট কার্ড কার্যক্রম শুরু হলেও তা পরিচালনা কঠিন- এমন মন্তব্য করেন তারা।
আলোচকরা বলেন, নির্বাচনী পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন খাতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, ফলে এসএমই ঋণও কমে গেছে। ব্যাংক খাতে এখন দেড় লাখ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য আছে। চাহিদা বাড়লে অর্থনীতির গতি ফের সচল হবে।
রপ্তানিমুখী উদ্যোক্তাদের জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা প্রয়োজন উল্লেখ করে, এসএমই খাতের জন্য এই প্রক্রিয়া আরও সহজ ও সহনীয় করার দাবি জানানো হয়।














































