
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। ছবি: বিসিবি
আজিজুল হাকিমের দায়িত্বশীল ফিফটি ও ইকবাল হোসেনের রেকর্ড গড়া বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে যুব বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করেছে বাংলাদেশ। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) হারারেতে অনুষ্ঠিত নিয়মরক্ষার ম্যাচে ৭৪ রানের জয় পায় যুবারা।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৫৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ১৭৯ রানে।
এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের স্বপ্ন আগেই শেষ হয়ে যায়। ফলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল নিয়মরক্ষার। এই জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে সুপার সিক্স পর্বে চতুর্থ স্থান নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করল বাংলাদেশ। ২০২০ সালে শিরোপা জয়ের পর টানা তিন আসরে সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলো যুব দল।
বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেন আজিজুল হাকিম। তিন নম্বরে নেমে তিনি ৬টি চার হাঁকান। রিজান হোসেন ৬৮ বলে একটি ছক্কা ও চারটি চারে করেন ৪৭ রান। শেষ দিকে আল ফাহাদের ১৩ বলে অপরাজিত ২৩ রানের ক্যামিও ইনিংসে আড়াইশ ছাড়ায় বাংলাদেশের সংগ্রহ। আজিজুল ও রিজান ছাড়া আর কোনো ব্যাটার ২৫ রানের ঘর ছুঁতে পারেননি।
বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন ইকবাল হোসেন। মাত্র ২৪ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট শিকার করেন এই পেসার। যুব ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি তার তৃতীয় পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি, যা বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। সব দেশ মিলিয়ে যুব ওয়ানডেতে তার চেয়ে বেশি পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড আছে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকার কিউনা মাফাকার-এর, যিনি চারবার এই কীর্তি গড়েছেন।
২৫৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ইকবাল হোসেন পরপর দুই ওভারে দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন। মাত্র ১৫ রানেই তিন উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি।
জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন অধিনায়ক সিম্বারাশে মুদজেনগেরেরে। চার নম্বরে নেমে ১২১ বল খেলে ৮টি চারে ইনিংসটি সাজান তিনি। নবম উইকেটে শেল্টন মাজভিটোরেরার সঙ্গে ৬৪ রানের জুটি গড়ে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দেন মুদজেনগেরেরে। তবে শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট হয়নি।
শেষের আগের ওভারে ওয়েবস্টার মাধিধিকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ইতি টানেন আল ফাহাদ। বড় জয়ের মধ্য দিয়েই এবারের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করে বাংলাদেশ।










































