
বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, ভোট গণনায় দেরি হওয়ার অজুহাত তুলে কেউ সুযোগ নিতে চাইলে জনগণকে তা প্রতিরোধ করতে হবে। তিনি বলেন, দেশের মানুষ আগেও একাধিকবার ভোট দিয়েছেন এবং ভোট গণনায় কত সময় লাগে—সে অভিজ্ঞতাও তাদের আছে।
সোমবার দুপুরে যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, গত একযুগ দেশের মানুষ ভোট দিতে না পারলেও ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের আছে। ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভোট গণনায় কত সময় লাগে—তা জনগণ ভালোভাবেই জানে।
সংক্ষিপ্ত যশোর সফরের শেষ পর্যায়ে যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা—এই সাত জেলার বিএনপি মনোনীত ২২ প্রার্থীর হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেন তারেক রহমান এবং তাদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে তিনি অভিযোগ করেন, একটি পক্ষ নির্বাচনকে বিতর্কিত ও বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে এবং ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, জনগণের ভোটে সরকার গঠন করতে পারলে যশোরের ফুল বিদেশে রপ্তানি, অঞ্চলে আখ চাষ বৃদ্ধি, বন্ধ চিনি কারখানা পুনরায় চালু এবং যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের জিকে প্রকল্প আবার সচল করা হবে।
নারীদের ঘরে আটকে রাখার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশ পুনর্গঠনে নারী-পুরুষ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কর্মজীবী নারীদের অবমাননা করার কোনো অধিকার কারও নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের নেতারাও বক্তব্য দেন।









































