
ছবি: সংগৃহীত
আমার আম-মধুর ব্যবসা, এই জীবনটাই উপভোগ করি বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবন, চাকরি-প্রচেষ্টা, কোটা আন্দোলন ও ব্যবসায়িক পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
তারেক জানান, পেশাগত জীবনের শুরুতে তিনি একজন আইটি ব্যবসায়ী ছিলেন। তবে পরিবারের ইচ্ছায় সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। একাধিকবার ভাইভা দিলেও শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেননি। তিনি দাবি করেন, সে সময় বিভিন্ন নিয়োগে উচ্চমাত্রার কোটা ব্যবস্থার কারণে সাধারণ প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তাদের উদ্দেশ্য ছিল বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক সংস্কার আনা, পুরোপুরি বাতিল করা নয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, নারী, প্রতিবন্ধী ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ কোটা রাখার প্রস্তাব ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেওয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত পুরো কোটা ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায় বলে জানান তিনি।
চাকরির বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তারেক বলেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ভাইভা ও লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েও চূড়ান্তভাবে বাদ পড়েন। কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
পরবর্তীতে জীবিকার তাগিদে ব্যবসায় নামেন তারেক। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে দোকান পরিচালনার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, নানা প্রতিকূলতার কারণে শেষ পর্যন্ত অনলাইনে আম ও মধু বিক্রিই তার প্রধান আয়ের উৎস হয়ে ওঠে। “গ্রীষ্মের আম, শীতের মধু—এই মিলেই আমার আম-মধুর ব্যবসা,” উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক বলেন, জীবনে কোনো আক্ষেপ নেই তার। সংসদে যেতে না পারলেও এতে হতাশ নন। তার ভাষায়, “আল্লাহ আমাকে যেখানে যোগ্য মনে করেছেন, সেখানেই দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি আমার এই জীবনটাই উপভোগ করি, আল্লাহ ভরসা।”










































