
দেশের ৭৩টি কারাগারে এবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন প্রায় ৭৫ হাজার বন্দি। পরিবার-পরিজন থেকে দূরে ভিন্ন পরিবেশে দিনটি কাটাতে হলেও তাদের জন্য বিশেষ আয়োজন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
কারা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে বন্দিদের জন্য উন্নত মানের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকালে পায়েস বা সেমাই ও মুড়ি, দুপুরে পোলাও, গরু বা খাসির মাংস, মুরগির রোস্ট, সালাদ, মিষ্টি ও পান–সুপারি এবং রাতে ভাত, আলুর দম ও রুই মাছ ভাজা পরিবেশন করা হবে। এছাড়া স্বজনদের দেওয়া খাবারও নির্ধারিত নিয়মে গ্রহণের সুযোগ পাবেন বন্দিরা।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত–উল ফরহাদ জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদকে ঘিরে বন্দিদের জন্য বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে, যাতে তারা কিছুটা হলেও উৎসবের আমেজ অনুভব করতে পারেন।
বর্তমানে কারাগারগুলোতে ১৭৯ জন ডিভিশন বা বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছেন। এদের মধ্যে সাবেক সরকারের মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা আছেন। এছাড়া ডিভিশন সুবিধা না পাওয়া আরও কিছু ভিআইপি বন্দিও রয়েছেন। সকলেই ঈদের বিশেষ খাবার পাবেন। সাধারণ সময়ে বন্দিদের নিয়মিত খাবারের তালিকাও বজায় থাকবে।
ঈদ উপলক্ষে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের ক্ষেত্রেও বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। সাধারণত ১৫ দিন পরপর সাক্ষাতের সুযোগ থাকলেও ঈদের তিন দিন (২১ থেকে ২৩ মার্চ) প্রতিদিন একবার করে দেখা করতে পারবেন স্বজনরা। এই সময়ের মধ্যে একবার বাড়ির খাবার দেওয়ার সুযোগ থাকবে এবং একজন বন্দি সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট ফোনে কথা বলতে পারবেন।
এদিকে কারাগারের ভেতরেই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি কিছু কারাগারে বিকেল থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার আয়োজন থাকবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এসব আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে কারা অধিদপ্তর।




































