
ছবি: সংগৃহীত
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মায় তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্ধার অভিযানে গতি আনতে ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে বিশেষ ডুবুরি দল তলব করা হয়েছে। তীব্র স্রোত ও পানির গভীরতার কারণে প্রাথমিক উদ্ধারকাজ ব্যাহত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর পন্টুনে ফেরিতে ওঠার সময় সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পানির গভীরতা এবং তীব্র স্রোতের কারণে তা ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থায় উদ্ধার অভিযান ত্বরান্বিত করতে ঢাকা সদর দপ্তর ও ফরিদপুর থেকে আরও দুটি বিশেষ ডুবুরি ইউনিট পাঠানো হয়েছে। তারা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ি জানিয়েছে, উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে এবং নদীর তলদেশে তলিয়ে যাওয়া বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে আনুমানিক ৫০ থেকে ৫৬ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর সাত থেকে আটজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। তবে বাসে থাকা অধিকাংশ যাত্রীর এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
বেঁচে ফেরা যাত্রী আব্দুল আজিজ জানান, মুহূর্তের মধ্যেই বাসটি নদীতে পড়ে যায়। তিনি সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও তার স্ত্রী, ছয় বছরের সন্তান ও শাশুড়ির এখনো সন্ধান মেলেনি।





































