
মধ্যপ্রাচ্যের জটিল ও ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ শান্তি প্রক্রিয়ায় নিজেদের ভূমিকা নিশ্চিত করতে উদ্যোগী হয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলো। এ ধারাবাহিকতায় রোববার ইসলামাবাদে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তুরস্ক, মিশর, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দিনব্যাপী এই বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ, পাশাপাশি হুতিদের সম্পৃক্ততায় সৃষ্ট অচলাবস্থা—এসবই আলোচনার প্রধান বিষয়। লক্ষ্য—মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিরসনে সম্ভাব্য করণীয় চূড়ান্ত করা।
এর আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্বে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছিল পাকিস্তান, মিশর ও তুরস্ক। কিন্তু আলোচনার প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযান ঘিরে। মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী স্থল অভিযানের প্রস্তুতি চলছে, যা শান্তি প্রচেষ্টাকে আরও দীর্ঘায়িত করতে পারে।
ইতোমধ্যে গত শুক্রবার মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার সেনা জড়ো করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগন ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত করেছে। এই পরিকল্পনায় পারস্য উপসাগরের কৌশলগত খার্গ দ্বীপ ও হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী উপকূলে অতর্কিত হামলার সম্ভাবনা রয়েছে।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি, তবু কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে—অভিযানটি পূর্ণমাত্রার দখলদারিত্ব নয়; বরং বিশেষ বাহিনী ও পদাতিকের সমন্বয়ে সীমিত লক্ষ্যবস্তুতে ঝটিকা হামলা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, “স্থল বাহিনী ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারে।” তবে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, সামরিক প্রস্তুতি অনেক দূর এগিয়ে গেছে এবং এটি কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নয় বরং দীর্ঘদিনের রণকৌশলের অংশ।









































