
রেশম সুতার বার্ষিক চাহিদা ৩৫০ টন হলেও উৎপাদন করতে পারছে মাত্র ৪১ টন
রাজশাহীর রেশম বা সিল্ক শিল্পের ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তির পথে। গত এক দশকে এই খাতের উন্নয়নে ১৯৪ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও তার সুফল মেলেনি। উল্টো কাঁচামাল ও সুতার অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে রাজশাহীর ৭৬টি কারখানার মধ্যে ৭০টিই। বর্তমানে দেশে রেশম সুতার বার্ষিক চাহিদা ৩৫০ টন হলেও রেশম বোর্ড উৎপাদন করতে পারছে মাত্র ৪১ টন, যা চাহিদার মাত্র ১১ শতাংশ। ফলে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প এখন পুরোপুরি আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে।
রেশম বোর্ডের তথ্যমতে, ২০০৮ সাল থেকে গৃহীত প্রকল্পের ১৪৪ কোটি টাকা ইতিমধ্যে ব্যয় হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয়ভাবে মানসম্মত সুতা না পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে এবং অসম প্রতিযোগিতায় কারখানাগুলো বন্ধ করতে হচ্ছে।
তবে রেশম বোর্ডের মহাপরিচালক তৌফিক আল মাহমুদ দাবি করেছেন, এসব প্রকল্প আছে বলেই শিল্পটি এখনও টিকে আছে। এদিকে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম জানিয়েছেন, সরকার নতুন উদ্যমে কারখানাগুলো চালুর পরিকল্পনা করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক নীতিমালা ছাড়া এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব নয়।













































