বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার এইচ ই শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী
ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিতে বাংলাদেশে পৌঁছেছেন দিনেশ ত্রিবেদী। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে স্ত্রী মৃণাল ত্রিবেদীকে সঙ্গে নিয়ে পেট্রাপোল-বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে তিনি বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বেনাপোলে নবনিযুক্ত হাইকমিশনার ও তার স্ত্রীকে স্বাগত জানান ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বঢ়ে।
গত এপ্রিলের শেষ দিকে বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে দিনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগের ঘোষণা দেয় নয়াদিল্লি।
দিনেশ ত্রিবেদী কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ড. মনমোহন সিংয়ের ইউপিএ সরকারের সময় রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। ২০১২ সালে রেল বাজেটে যাত্রীভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়ার পর দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মতপার্থক্যের জেরে তাকে মন্ত্রীর পদ ছাড়তে হয়েছিল।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি কংগ্রেস, জনতা দল, তৃণমূল কংগ্রেস হয়ে বর্তমানের ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সদস্য।
দিনেশ ত্রিবেদীর বাবা-মা দুজনৈই গুজরাটী হলেও তার বেড়ে ওঠা পুরো কর্মজীবন পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রিক। চমৎকার বাংলাও বলতে পারেন।
তার এই নিয়োগ এমন এক সময়ে এলো, যখন ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের পর পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে ত্রিবেদীর মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিককে ঢাকায় পাঠানো ভারতের পক্ষ থেকে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ‘হেভিওয়েট’ প্রতিনিধিদের পাঠানোর নীতি জোরদার হচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
এর আগে ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান দলবীর সিং সুহাগ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সেশেলসে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে কূটনৈতিক পদে অ-ক্যারিয়ার ব্যক্তিদের নিয়োগের প্রবণতা যে বাড়ছে, ত্রিবেদীর নিয়োগ সেই ধারারই অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাংলা টেলিগ্রাফ ভিজ্যুয়াল











































