
সংগৃহীত ছবি
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এবারের বাজেট প্রণয়নে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তার ভাষায়, এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক (ইনক্লুসিভ) বাজেট।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “এই বাজেট প্রণয়নে আমরা সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। কতটা সফল হয়েছি, তা দেশের জনগণই মূল্যায়ন করবে।” অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নতুন সরকারের অধীনে এই বাজেট তৈরি করা হয়েছে, যা এবারের প্রেক্ষাপটকে কিছুটা ভিন্ন করেছে।
তিনি জানান, দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি। সীমিত সময়ের মধ্যেই সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা চেষ্টা করেছি দেশের প্রতিটি মানুষকে বাজেট ভাবনার মধ্যে আনতে। কেউই এই বাজেটের আওতার বাইরে নয় বলে আমি মনে করি না।” তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিকে আরও গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং যারা আগে অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে ছিলেন, তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, এবারের বাজেটে একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ দেওয়া হয়েছে, যার ভিত্তিতে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সবশেষে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো জবাবদিহি নিশ্চিত করা, এবং সরকার সেই নীতিতেই অগ্রসর হচ্ছে।










































