
ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে লেবানন ইস্যু। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতিকে দুই পক্ষের আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় তেহরান থেকে এ বিষয়ে একের পর এক কড়া বার্তা এসেছে। সর্বশেষ ইরানের শীর্ষ সামরিক সদর দপ্তর অভিযোগ করেছে, গত দুই দিনে দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি ৮৪ বার লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
এক বিবৃতিতে তারা সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েল যদি দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধ না করে, তাহলে তাদের ‘কঠোর জবাব’ মোকাবিলা করতে হবে।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, দক্ষিণ লেবাননসহ লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার বর্তমানে তেহরানের অন্যতম প্রধান দাবি। এই দাবি পূরণ হলে চলমান সমঝোতা প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে ইরানের শীর্ষ আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফও একই ধরনের অবস্থান তুলে ধরেছেন। লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরির সঙ্গে টেলিফোন আলাপে তিনি বলেন, দক্ষিণ লেবাননে সব ধরনের সামরিক তৎপরতা বন্ধ করতে হবে এবং ইসরায়েলি বাহিনীকে সেখান থেকে সম্পূর্ণ সরে যেতে হবে।
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, দক্ষিণ লেবাননের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা শুধু আঞ্চলিক বিষয় নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই চূড়ান্ত চুক্তির আগে এই ইস্যুর সমাধানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা সফল করতে হলে দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি এবং ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা কমানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।








































