সোমবার । মার্চ ২৩, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক খেলা ৩০ জুলাই ২০১৫, ৬:৫১ পূর্বাহ্ন
শেয়ার

বৃষ্টির শঙ্কা মাথায় নিয়েই আজ শুরু ঢাকা টেস্ট


Bangladesh-vs-South-Africa-ভাগ্য ভালো, তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে বৃষ্টি খুব একটা মাথা ঘামায়নি। কিন্তু টেস্ট সিরিজে? এই আষাঢ়-শ্রাবন মাসে টানা পাঁচ দিন নির্বিঘ্নে খেলা হবে, আর আকাশে উড়তে থাকা মেঘের বহর সেটা চেয়ে চেয়ে দেখবে! এটা যে হওয়ার নয়। চট্টগ্রাম টেস্টের শেষ দুটো দিন বৃষ্টি ভূমিকা নিল খলনায়কের। আজকে শুরু হতে যাওয়া ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ ঢাকা টেস্টেও বৃষ্টি নামক ভিলেনের আগাম অট্টহাসি। মিরপুরে দুই দলের সামনেই যেন আরেক প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠেছে বৃষ্টি।

শ্রাবন মাসে টেস্ট। এই রৌদ্র, কিন্তু একটু পরেই যে আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি ঝরবে না তার গ্যারান্টি কে দেবে? তারপর আবার বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে গভীর নিম্নচাপ। আজ দিনে ঢাকাতে বৃষ্টি না হলেও কাল বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব বেশী। বুঝতেই পারছেন, টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির হস্তক্ষেপ ছাড়া খেলা শেষ হবার কোনরকম সম্ভাবনা নেই। তারপরেও ‘যদি’ বলে একটা শব্দ আছে। যদি আকাশটা ভালো থাকে, যদি বৃষ্টি না হয়। আশাবাদী হওয়া ছাড়া উপায় কি বলুন?

পরিসংখ্যান নাকি সবসময় কথা বলে না। ২০০৬ থেকে এখন অবধি দেশের বাইরে কোনো টেস্ট সিরিজ হারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। কখনও টেস্ট ম্যাচ হারতে হয়নি বাংলাদেশের মাটিতেও। কিন্তু চট্টগ্রামে সেই দক্ষিণ আফ্রিকার বাজে দশা হবার যোগাড় হয়েছিল। পৌনে তিন দিন ম্যাচে আধিপত্য ধরে রেখেছিল বাংলাদেশ।

মুস্তাফিজ, শহীদ ও যুবায়ের হোসেনের ভালো বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতে লড়েছিলেন তামিম, রিয়াদ, লিটন এবং সাকিব আল হাসান। তাতে লিড পেয়েছিল স্বাগতিকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রেরণা নিয়েই কাল মাঠে নামবে টাইগাররা।

কিন্তু ঢাকার কন্ডিশন একটু ভিন্ন। এখানকার উইকেটে বাউন্স আছে। থাকবে পেস। ফিল্যান্ডার, মরকেল এবং ডেইল স্টেইন নামক তিনি গতির দানবকে সামলানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ টাইগার ব্যাটসম্যানদের সামনে। সে কথাই তো বললেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, ‘আমাদের আসল চ্যালেঞ্জ হবে ওদের পেস আক্রমণ থামানো। প্রথম ম্যাচে আমরা ভালো করেছি। ওটা আমাদের আত্মবিশ্বাস যোগাবে।’

একাদশে সম্ভাবত কোনো পরিবর্তন নেই কোনো দলেই। তারমানে এ ম্যাচে বেঞ্চে বসে কাটাতে হবে রুবেল ও নাসির হোসেনকে।

দারুণ এক মাইলফলকের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকান ফাস্ট বোলার ডেইল স্টেইন। আর এক উইকেট হলেই ক্রিকেট ইতিহাসের ১৩তম বোলার হিসাবে টেস্টে ৪০০ উইকেটের মাইলফলক গড়া হয়ে যাবে তার।

ছোটখাটো মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসানও। মাত্র ৩ উইকেট হলেই ১৭তম খেলোয়াড় হিসাবে টেস্টে ১৫০ উইকেট এবং ২৫০০ রান করার কৃতিত্ব দেখাবেন তিনি।