জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে আবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচায় বসছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। আগামীকাল রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।
আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা পবন চৌধুরী এক বার্তায় জানান, এবারের আলোচনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করবেন।
এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর একই স্থানে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় নির্ধারণে দলগুলোর সঙ্গে তৃতীয় ধাপের তৃতীয় দিনের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমাতে সরকারকে দুটি প্যাকেজ প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ঐকমত্য কমিশন।
প্রথম প্রস্তাবে রয়েছে — সংবিধান আদেশ জারি, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম কোর্টের অভিমত গ্রহণ, এবং গণভোট আয়োজন। দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলা হয়েছে — জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণপরিষদ বা সংবিধান সংস্কার সভা আয়োজনের মাধ্যমে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) দ্বারা সনদের সাংবিধানিক বিষয়গুলোর সমাধান করা।
তবে সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রস্তাবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যমত্য না হওয়ায়, কমিশনের কার্যকালের মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রথম পর্বে কমিশন ৬২টি বিষয়ে, দ্বিতীয় পর্বে ২০টি বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্যে পৌঁছায়। এ পর্যন্ত ৩৫টি রাজনৈতিক দল ও জোট তাদের মতামত কমিশনের কাছে পাঠিয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকেই বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ জমা দিয়েছে।
মোট ৪৪টি বৈঠকে কমিশন ৩২টি দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনা করেছে—কিছু দলের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের আলোচনায় ৬২টি বিষয়ে ঐকমত্য গড়ে ওঠে।








































