sentbe-top

পড়াশোনা ও কাজ, কানাডায় দুটোই সম্ভব

kanda

পড়াশোনার পাঠ চুকিয়েই পেশাজীবির খাতায় নাম লেখাচ্ছেন অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী, অর্থাৎ পড়াশোনা শেষেই চাকরি! এমন দেশের উদাহরণ দিতে গেলে প্রথম সারিতেই আসবে ‘কানাডা’। বিশ্বমানের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ থাকায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ প্রতি বছরই পাড়ি দিচ্ছে কানাডায়।

দেশটির প্রায় শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদাসম্পন্ন বিভিন্ন প্রোগ্রাম থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও লুফে নিতে পারেন তাদের পছন্দের বিষয়টি। বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি হওয়ায় পড়াশনার খরচ খুব বেশি নয়, এছাড়া খন্ডকালীন কাজ ও বৃত্তির সুযোগ তো আছেই।

আবেদন যেভাবে: কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে চাইলে সেশন শুরুর অনেক আগেই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভর্তি অফিস’ সেশন শুরুর এক বছর আগেই আবেদনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। দেশটিতে পড়াশোনা হয় দুই ভাষায়−ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ। ইংরেজি ভাষায় পড়াশোনা করতে চাইলে টোফেল স্কোর (আইবিটি) থাকতে হবে ৭৫, আইইএলটিএস-এর ক্ষেত্রে অন্তত ৬.০। পাশাপাশি ভালো একাডেমিক ফলাফল এবং আর্থিক সচ্ছতার নির্ভেজাল কাগজপত্রও থাকতে হবে। কানাডায় ভর্তি, পড়াশোনা, খরচসহ দরকারি সব তথ্য পাবেন এ ওয়েবে− www.studycanada.ca/english

অফার লেটার পেলেই ভিসা আবেদন: অফার লেটার পাওয়ার পর আবেদন করতে হবে ভিসা বা স্টাডি পারমিটের জন্য। ভিসা পেতে বাংলাদেশে কানাডার দূতাবাস অনুমদিত ভিসা সেন্টারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি জমা দিতে হবে। ঠিকানা: ভিএফএস কানাডা অ্যাপলিকেশন সেন্টার, তাজ ক্যাসিলিনা, ৩সি, তৃতীয় তলা, ২৫ গুলশান অ্যাভিনিউ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২। ঢাকা ছাড়াও সিলেট ও চট্রগ্রামে আছে এ ভিসা সেন্টার। ভিসা আবেদনের ফরম সংগ্রহ করতে কিংবা ভিসা আবেদনের তথ্য জানতে ভিজিট করুন এ সাইটে− www.vfs-canada.com.bd । ‘স্টুডেন্ট ভিসা’র জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-ফিসহ আবেদন জমা দেয়ার পর এ সাইট থেকে আবেদন প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থাও জানা যাবে।

স্থান ও বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে খরচও ভিন্ন: কানাডায় টিউশন ফি কত হবে, তা নির্ভর করে স্থান ও বিশ্ববিদ্যালয়ার ভিন্নতার ওপর। ব্যাচেলর পর্যায়ে পড়াশোনা করতে বিষয়ভেদে ছয় হাজার থেকে দশ হাজার কানাডিয়ান ডলার খরচ হয় বছরে। অন্যদিকে দুই হাজার থেকে সাত হাজার কানাডিয়ান ডলার হলেই মাস্টার্সের অনেক প্রোগ্রামে পড়াশোনা করা যায় অনায়াসে। প্রসঙ্গত, ১ কানাডিয়ান ডলার প্রায় ৮২ টাকার সমান। অন্যান্য দেশের মতো কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা ২০ ঘন্টা খন্ডকালীন কাজের সুযোগ পায়, তবে এর আগে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করতে হয়।

আছে বৃত্তির সুযোগ: বৃত্তি নিয়ে কানাডায় পড়াশোনা করছেন, এমন বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কম নয়। এ ছাড়া ভর্তির পর কানাডায় বিভিন্ন বৃত্তির আবেদনের সুযোগ তো আছেই। তবে এ ক্ষেত্রে, ভর্তি হওয়া প্রোগ্রামের পরীক্ষাগুলোতে শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল পেতে হবে। যে প্রোগ্রামে পড়াশোনা করছেন, এর পরীক্ষার সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামে ভালো ফলাফল পেতে হয়। কানাডা সরকার বিভিন্ন সময় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ঘোষণা দিয়ে থাকে। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবে পাবেন বৃত্তির তথ্য। কানাডা সরকারের বৃত্তির তথ্য পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন নিচের সাইট দুটিতে-
www.studycanada.ca/english/scholarships_canada_international_students.htm

www.canadainternational.gc.ca/bangladesh

বিশ্ববিদ্যালয়ের খোঁজ মিলবে অনলাইনে: কানাডার সব বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যই মিলবে অনলাইনে। ভর্তি তথ্য, যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া ও খরচের তথ্যসহ দরকারি সবই পাওয়া যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইটে। ভর্তির আগে বিস্তারিত তথ্য জেনে নির্দেশনা অনুসরন করে আবেদন করুন।

কয়েকটি প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়: টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয় (www.utoronto.ca), ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় (www.mcgill.ca), দ্য ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলম্বিয়া (www.ubc.ca), ইউনিভার্সিটি অব অ্যালবের্টা (www.albarta.ca)।

তথ্য সূত্রঃ বিডিলাইভ২৪

sentbe-top