
ফাইল ছবি
দেশের মোবাইল ফোন বাজারে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট নিয়ন্ত্রণে ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। এই ব্যবস্থার আওতায় মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত হচ্ছে, ফলে চোরাই ও অবৈধ ফোন শনাক্ত করা সহজ হবে।
এনইআইআর চালুর পর অনেক ব্যবহারকারীর এনআইডির বিপরীতে একাধিক মোবাইল ফোন রেজিস্ট্রেশন দেখানো নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে কারো অবৈধ বা ক্লোন করা ফোন বন্ধ করা হবে না এবং এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
শুক্রবার নিজের ফেসবুক পোস্টে ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, অপারেটরদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ হিস্টোরিক ডেটা সিস্টেমে যুক্ত হওয়ায় অনেকের এনআইডির বিপরীতে বেশি সংখ্যক হ্যান্ডসেট দেখা যাচ্ছে। বিটিআরসি ও মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে কাজ করছে, ধীরে ধীরে পুরোনো তথ্য আর্কাইভ করে কেবল বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটের তথ্য দেখানো হবে।
তিনি আরও জানান, এনইআইআর নতুন কোনো সিস্টেম নয়; ২০২১ সালে এটি চালুর চেষ্টা হয়েছিল, এখন প্রয়োজনীয় ফিচার যুক্ত করে কার্যকর করা হয়েছে। পাশাপাশি ডাটাবেজের নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, এনইআইআর চালুর মাধ্যমে একজন ব্যক্তির এনআইডির বিপরীতে ব্যবহৃত সিম ও ডিভাইস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে এবং আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



































