
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক খাতের এক অপার সম্ভাবনা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি অংশগ্রহণকারী সকল দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের চেতনায় একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সংবাদ সংস্থা বাসস সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্য পূরণে বাণিজ্য মেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।
উল্লেখ্য, মেলাটি পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১ জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে তারিখ পরিবর্তন করে ৩ জানুয়ারি শনিবার নির্ধারণ করা হয়েছে।
অধ্যাপক ইউনূস তাঁর বাণীতে মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী এবং ক্রেতাসাধারণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, দেশীয় পণ্যের প্রচার এবং বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে এই মেলার ভূমিকা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী।
মাসব্যাপী এই আয়োজনের মাধ্যমে গুণগত মানসম্পন্ন দেশীয় পণ্য যেমন আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সামনে উপস্থাপিত হবে, তেমনি স্থানীয় উদ্যোক্তারাও বৈশ্বিক বাজারের আধুনিক নকশা ও প্রবণতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে পারবেন।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বিশ্বাস করেন যে, এই মেলার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম কেবল সম্প্রসারিতই হবে না, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পণ্যের বহুমুখীকরণেও এটি সহায়ক হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মাধ্যমে মেলাটি দেশের সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
বাণীর শেষে তিনি সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণে মেলাটি সুন্দর, ক্রেতাবান্ধব এবং উৎসবমুখর হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।



































