
সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের যুবকদের বেকার ভাতা দিয়ে অপমান করতে চাই না। তারা ভাতা বা ভিক্ষা নয়, নিজেদের দক্ষতা ও যোগ্যতার স্বীকৃতি চায়। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি যুবকের হাতে মর্যাদাপূর্ণ কাজ তুলে দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ওয়াজির আলী স্কুল ময়দানে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের যুবকরা বেকার ভাতা চায় না। বেকার ভাতা দিয়ে তাদের অপমান করতে চাই না। তারা হাতে হাতে কাজ চায়। আমরা কথা দিচ্ছি, প্রত্যেক যুবকের হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দেব।’
নারীদের নিরাপত্তা ও সম্মান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে, যেখানে মা-বোনদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে। কোনো জালিম বা অন্যায়কারী তাদের দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস পাবে না। যারা নারীদের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে, তাদের প্রতিহত করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। এগারোটি দল এক হয়ে দুর্নীতিকে লাল কার্ড দেখাতে চাই। সাধারণ মানুষ কষ্ট করে কাজ করে আর এক শ্রেণির লোক তাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। আমরা তাদের সতর্ক করে বলছি—চাঁদাবাজি ছেড়ে হালাল রুজির পথে ফিরে আসুন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রয়োজনে ভিক্ষা করা হারাম নয়, কিন্তু চাঁদা চাওয়া হারাম। তাই হারাম পথ ছেড়ে সৎ পথে ফিরে আসুন।’
বক্তব্য শেষে ডা. শফিকুর রহমান ঝিনাইদহ জেলার চারটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আলী আজম মো. আবু বকরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহসহ দলের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।








































