
ফাইল ছবি
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আশুলিয়ায় ছয় জনের লাশ পোড়ানো এবং অন্য একজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করবেন।ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি হবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তৃতীয় রায়।
এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামীম, বি এম সুলতান মাহমুদ, ফারুক আহমেদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা। এছাড়া, চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে মামলা পরিচালনা করেন আমির হোসেন।
মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আট আসামি হলেন- ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফি, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, আশুলিয়া থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, আরাফাত উদ্দীন, কামরুল হাসান, শেখ আবজালুল হক এবং সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার।
আসামিদের মধ্যে শেখ আবজালুল হক রাজসাক্ষী হয়ে শহীদদের পরিবারসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে জবানবন্দি দেন।
অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ এ মামলার বাকি আট আসামি পলাতক রয়েছেন।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনকালে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরেন।
পরবর্তীতে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ছয়জন আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যার পর পুলিশ তাদের লাশ ভ্যানে তুলে আগুনে পুড়িয়ে দেয়। ওই সময় ঘটনাস্থলে একজন জীবিত ছিলেন, কিন্তু তাকেও বাঁচতে দেওয়া হয়নি।







































