
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী || ফাইল ছবি
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় চারটি হত্যা মামলাসহ ৫ মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
সেলিনা হায়াৎ আইভী গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার হন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চারটি হত্যা এবং দুটি হত্যাচেষ্টা মামলাসহ মোট ছয়টি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয় তখন।
গত বছরের নভেম্বরে ৫টি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান সেলিনা হায়াৎ আইভী। তবে আপিল বিভাগে এই পাঁচ মামলায় জামিন স্থগিত হয়ে যায়। পরে নতুন করে তাকে ৫ মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।
২০০৩-২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তিনটি নির্বাচনে টানা জয় পান হন তিনি।
এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পোশাকশ্রমিক মিনারুল হত্যাসহ পাঁচটি মামলায় গত নভেম্বর সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন দেন হাইকোর্ট। তবে আপিল বিভাগে এই পাঁচ মামলায় জামিন স্থগিত হয়ে যায়। পরে নতুন করে তাকে পাঁচ মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। গত বছরের মে মাসে মিনারুল হত্যা মামলায় আইভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।
২০২৪ সালে ২০ জুলাই সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আদমজী এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন পোশাকশ্রমিক মিনারুল ইসলাম। শহরের খানপুরে অবস্থিত ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরদিন গ্রামের বাড়িতে তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় ২৩ সেপ্টেম্বর নিহত মিনারুলের ভাই নাজমুল হক বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ১৩২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩০০ জনকে আসামি করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় এজাহারভুক্ত ১২ নম্বর আসামি সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা করা হয়।







































