
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আকাশপথের নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে গত আট দিনে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ২৬৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ইরান, ইরাক, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ সাতটি দেশের আকাশসীমা বন্ধ ও আংশিক নিয়ন্ত্রিত থাকায় এই নজিরবিহীন শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আজ এক দিনেই শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ২০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে এয়ার অ্যারাবিয়া, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস এবং কুয়েত এয়ারলাইন্সের একাধিক ফ্লাইট রয়েছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আগামী ৮ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ রুটে তাদের সব ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করেছে। এর আগে ৫ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধ থাকার কথা থাকলেও আকাশপথে ঝুঁকি না কমায় এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবার ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়ে যাত্রীদের নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ।
এদিকে দুবাই ভিত্তিক এয়ারলাইনস এমিরেটস জানিয়েছে, আকাশসীমা আংশিক উন্মুক্ত হওয়ার পর তারা সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে। বর্তমানে তারা তাদের রুট নেটওয়ার্কের প্রায় ৬০ শতাংশ চালু করতে সক্ষম হয়েছে। তবে নিশ্চিত বুকিং এবং ফ্লাইটের নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো যাত্রীকে বিমানবন্দরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
আকাশপথের এই অচলাবস্থার কারণে হাজার হাজার প্রবাসী ও বিদেশগামী যাত্রী চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই অনিশ্চয়তা কাটবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।




































