
পেন্টাগনের অর্থ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা জুলস হার্স্ট, ফাইল ছবি
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৫ বিলিয়ন (২ হাজার ৫০০ কোটি) ডলার ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন পেন্টাগনের শীর্ষ এক কর্মকর্তা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে এ তথ্য জানিয়েছেন পেন্টাগনের অর্থ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা জুলস হার্স্ট। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে উপস্থিত থেকে তিনি যুদ্ধের ব্যয় নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।
জুলস হার্স্ট জানান, মোট ব্যয়ের বড় অংশই গেছে গোলাবারুদ, সমরাস্ত্র ব্যবহার এবং সামরিক অভিযান পরিচালনায়। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জাম প্রতিস্থাপনেও উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে দেশটির আইনপ্রণেতাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ ছিল। ডেমোক্র্যাট সদস্যদের অভিযোগ, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এই ব্যয়বহুল সামরিক অভিযান শুরু করা হয়েছে।
শুনানিতে আরও জানানো হয়, ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা ব্যয়ের চাপ আরও বাড়িয়েছে।
পেন্টাগন কর্মকর্তা বলেন, যুদ্ধের প্রকৃত আর্থিক ক্ষতি এখনও নিরূপণাধীন। ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠনের জন্য কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত তহবিল চাওয়া হতে পারে।
ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৭ অর্থবছরের জন্য যে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের রেকর্ড প্রতিরক্ষা বাজেট প্রস্তাব করেছে, তার পক্ষে যুক্তি দিতেই মূলত এই শুনানির আয়োজন করা হয়। তবে ইরান যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতি নিয়ে আইনপ্রণেতাদের কঠোর ও কঠোর প্রশ্নের মুখে পড়েন পেন্টাগনের কর্মকর্তারা।
সূত্র: আল-জাজিরা







































