
ফাইল ছবি
দেশের ছয়টি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, বগুড়া ও চুয়াডাঙ্গায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে সর্বোচ্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ জন, ময়মনসিংহে ২ জন এবং বাকি চার জেলায় একজন করে মারা গেছেন। এসব দুর্ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতদের অধিকাংশেরই মাঠ বা বাগানে কাজ করা এবং বাড়ি ফেরার সময় বজ্রপাতের শিকার হন।
জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় তিন নারীসহ ৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে শিবগঞ্জ উপজেলায় আম বাগানে আম কুড়াতে গিয়ে মাহমুদা আক্তার, সাদিয়া খাতুন ও মেসবাউল নামের তিনজনের মৃত্যু হয়।
এছাড়া সদর উপজেলায় মাঠে গরু আনতে গিয়ে আব্দুল্লাহ এবং নাচোল উপজেলায় মাঠে ঘাস কাটার সময় সুমিয়ারা বেগম নামের এক নারী মারা যান। নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বাড়ির আঙিনায় ধানের কাজ করার সময় সিয়াম (২৮) নামের এক যুবক এবং মুক্তাগাছায় মসজিদের নির্মাণকাজ তদারকির সময় আমগাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া কলেজশিক্ষক এএসএম খালেকুল আজাদ (৫৬) বজ্রপাতে প্রাণ হারান। তিনি স্থানীয় গাবতলী ডিগ্রি কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন।
এছাড়া নীলফামারীর ডিমলায় সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশে আলম ইসলাম (৪০) নামে একজন নিহত এবং এক গৃহবধূ আহত হন। পঞ্চগড় সদরে ফসলি জমি থেকে ভুট্টা পরিবহনের সময় শাহাদাত হোসেন (১৯) নামে এক ট্রাক্টর সহকারী বজ্রপাতে মারা যান। সেই সাথে বগুড়ার আদমদীঘিতে বিকেলে মাঠে মরিচ ক্ষেতে কাজ করার সময় রাব্বি হোসেন (১৫) নামের এক কিশোর ঘটনাস্থলেই মারা যায় এবং তার মা গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বাড়ির ছাদে বসে থাকার সময় বজ্রপাতে নাফিজ আহমেদ শান্ত (২৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয় এবং তার চাচাতো ভাই নাহিদ গুরুতর আহত হন।
আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে খোলা মাঠ বা গাছের নিচে না থেকে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।











































