sentbe-top

স্মার্টফোন সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা

smartphonesব্যাবহারকারীদের নিকট স্মার্টফোন সম্পর্কে নানা রকম ভুল ধারণা রয়েছে। যে ধারণাগুলো একদমই ঠিক নয়। তো চলুন স্মার্টফোনের ভুল ধারণাগুলো জেনে নেয়া যাকঃ

চার্জ ফুল হওয়ার পরও চার্জে লাগিয়ে রাখলে ব্যাটারি নষ্ট হয়:
ব্যাটারির চার্জ পূর্ণ হয়ে গেলেও অনেকেই চার্জার সরিয়ে নিতে ভুলে যান এবং অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় সারারাত ফোনটি চার্জারের সঙ্গেই সংযুক্ত থেকে যায়। অনেকেই ধারণা করেন, এতে ফোনের ব্যাটারি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু এতে ব্যাটারির ক্ষতি হওয়ার কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত মেলেনি। স্মার্টফোনগুলোতে এখন লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহৃত হয় যা যথেষ্ট স্মার্ট, তাই চার্জ পূর্ণ হয়ে গেলে ব্যাটারিতে চার্জ হওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

ব্যাটারির চার্জ সম্পূর্ণ শেষ না হলে চার্জ দেওয়া যাবে না:
এটাও বেশ প্রচলিত একটি ভুল ধারণা স্মার্টফোনের লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি সম্পর্কিত। ব্যাটারির চার্জ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার আগেই চার্জ দেওয়া শুরু করলে কোনো ক্ষতি নেই, বরং তা ব্যাটারির আয়ুর পক্ষে ভালো। চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা পুরোপুরি হারানোর আগে ব্যাটারিকে চার্জ চক্রের একটা নির্দিষ্ট সীমা পার করতে হয়। এবং এভাবে ধীরে ধীরে অনেকগুলো সাইকেল পার হওয়ার পর ব্যাটারি পুরনো হয়ে আয়ু কমতে থাকে। যখন চার্জ পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়, তখন একটি চক্র শেষ হয়।

বেশি মেগাপিক্সেল মানেই উন্নত ক্যামেরা:
১২ মেগাপিক্সেল আর ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার মধ্যে পার্থক্য কী? আদতে তেমন কোনো পার্থক্য চোখে পড়ে না। ছবির মান নির্ভর করে ক্যামেরা সেন্সর কী পরিমাণ আলো গ্রহণ করে তার ওপর। সাধারণত বড় সেন্সরে বড় পিক্সেল থাকে এবং পিক্সেল যত বড় হয় এটি তত বেশি আলো গ্রহণ করতে পারে। তাই মেগাপিক্সেলের সংখ্যার চেয়ে মেগাপিক্সেল আকার বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সুন্দর একটা ছবি তুলেতে ক্যামেরার লেন্স, সেন্সর, আপনার নিজের লাইটিং জ্ঞান এবং ক্যামেরার ওপর দখল গুরুত্বপূর্ণ।

ডিসপ্লের রেজুলেশন বেশি হলে ভালো:
কয়েকজন বিশেষজ্ঞ যুক্তি দেখিয়েছেন যে, স্মার্টফোনে স্ক্রিন রেজুলেশনের বিষয়টি তেমন কোনো বিষয়ই নয়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে গিজমোডো ডটকমে বলা হয়েছে, ডিসপ্লেতে প্রতি ইঞ্চিতে ৩০০ পিক্সেলের বেশি হয়ে গেলে মানুষ আর খালি চোখে পার্থক্য ধরতে পারে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের চোখ যেহেতু একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টের পর আর পিক্সেলের প্রভাব ধরতে পারে না তাই রেজুলেশনের এই সংখ্যা আসলে কোনো কাজে আসে কী না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। এ কারণে অ্যাপলের মতো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অধিক ঘনত্বের ডিসপ্লের পরিবর্তে ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতার দিকে বেশি মনোযোগী হয়েছে।

ব্যবহারে ব্রেন ক্যানসার হয়:
অনেকের মনে এমন ধারণা ঘুরপাক খেলেও, এখন পর্যন্ত কোনো গবেষণাতেই প্রমাণিত হয়নি যে, মোবাইল ফোন থেকে নির্গত স্বল্পমাত্রার তেজস্ক্রিয়তার কারণে ক্যান্সার হতে পারে।

sentbe-top