sentbe-top

ফেসবুকে নারী ও পুরুষের আলাপচারিতার ধরন ভিন্ন

সিউল, ৮ অক্টোবর ২০১৩:

ফেসবুকে স্ট্যাটাস আপডেট দেয়া কিংবা চ্যাট করার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ বিভেদ রয়েছে। পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে দেখা গেছে, শীর্ষ এ সামাজিক সাইটে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ অবচেতনভাবেই নিজ নিজ লিঙ্গের সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকেন। খবর দ্য স্টারের।ফেসবুক ব্যবহারকারী প্রায় ৭৫ হাজার মার্কিন নারী-পুরুষের দেয়া স্ট্যাটাসে থাকা ৭০ কোটির মতো শব্দ, প্রবাদ ও আলাপচারিতার বিষয় নিয়ে গবেষণাটি চালায় পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পজিটিভ সাইকোলজি সেন্টার। গবেষকদের মূল লক্ষ্য ছিল স্ট্যাটাসে ব্যবহূত শব্দের ভিত্তিতে লিঙ্গ, বয়স ও ব্যক্তিত্বের ধরন (অন্তর্মুখী বা বহির্মুখী) নির্ধারণ করা।

다운로드গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুক স্ট্যাটাসে নারীরা তাদের চুল ও কেনাকাটা নিয়েই বেশি কথা বলেন। এক্ষেত্রে পুরুষদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে খেলাধুলা, ভিডিও গেমস ও রাজনীতির মতো বিষয়গুলো। নারীরা আবার ‘সুখী’, ‘খুবই উত্তেজিত’ ধরনের আবেগ প্রকাশক শব্দ বেশি ব্যবহার করেন। নারীদের বহুল ব্যবহূত শব্দের মধ্যে আরো রয়েছে ‘বেস্টিস’ ও ‘ইয়াম্মি’।

এরা আবার পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে উত্তম পুরুষ একক বাচনিক ধরনের স্ট্যাটাস দিয়ে থাকেন। এদিকে পুরুষরা তাদের সঙ্গী বা গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের ক্ষেত্রে ‘আমার (মাই)’-এর মতো অধিকারবোধক শব্দ বেশি ব্যবহার করেন। নারীরা তাদের স্বামী কিংবা পুরুষ বন্ধুর ক্ষেত্রে ‘চমকদার (অ্যামেজিং)’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন। দেখা গেছে, পুরুষরা খুব বেশি শাপশাপান্ত করেন আর কথা বলেন রাজনীতি, খেলাধুলা ও এক্সবক্সের মতো পণ্যগুলো নিয়ে।

বয়সভেদেও ফেসবুক স্ট্যাটাসের পার্থক্য দেখা যায়। জরিপ প্রতিবেদন বলা হয়, শিশু কিংবা কম বয়সীরা ফেসবুকে তাদের বিদ্যালয় নিয়েই বেশি কথা বলে। বিশোর্ধ্বরা কথা বলেন তাদের কর্মক্ষেত্র, বিয়ার ও বিয়ে নিয়ে। আর বয়স্কদের স্ট্যাটাসে তাদের সন্তান ও পরিবার নিয়েই বেশি কথা থাকে।

দেখা গেছে, যেসব ব্যক্তির মানসিক সমস্যা আছে, তারা ‘অসুস্থ’ কিংবা ‘হতাশ’-এর মতো শব্দগুলো বারবারই তাদের স্ট্যাটাসে ব্যবহার করেন। আর অন্তর্মুখীরা জাপানি কার্টুন নিয়ে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সূত্রঃ বণিকবার্তা

sentbe-top