
মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে দেশে চালু হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর)। এই ব্যবস্থার প্রতিবাদে বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীদের একটি অংশ।
হামলার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী, পুলিশ, কোস্টগার্ড ও আনসারসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, “ওরা হঠাৎ করে হামলা চালিয়েছে। ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি।”
এনইআইআর পদ্ধতির বিরোধিতা করে গত কয়েকদিন ধরেই মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করে আসছিলেন। সরকারের অভিযোগ, এসব ব্যবসায়ীর একটি অংশ কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধ রুটে নিম্নমানের, ক্লোনড, ব্যবহৃত ও পুরনো ফোন দেশে প্রবেশ করাচ্ছে।

কর ফাঁকি রোধ এবং নিম্নমানের ও অবৈধ ফোনের প্রবেশ বন্ধ করতে সরকার হ্যান্ডসেট নিবন্ধনে এনইআইআর ব্যবস্থা কার্যকরের উদ্যোগ নেয়। এই পদ্ধতি চালু হলে অবৈধভাবে দেশে আসা ফোন আর ব্যবহার করা যাবে না। একই সঙ্গে বন্ধ হবে বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা পুরনো ফোনের ব্যবসা।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এনইআইআর চালুর আগে পর্যন্ত নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কোনো ফোন বন্ধ করা হবে না। নতুন করে কেবল সরকার অনুমোদিত ও বৈধ হ্যান্ডসেটই মোবাইল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকতে পারবে।










































