
সংগৃহীত ছবি
টানা তিন ম্যাচে হারের পর খানিকটা চাপে পড়েছিল রংপুর রাইডার্স। তবে দাভিদ মালান, তাওহিদ হৃদয় ও নাহিদ রানার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১১ রানে হারিয়েছে তারা। এই জয়ে চলতি আসরে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে রংপুর।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে ১৮১ রান সংগ্রহ করে রংপুর রাইডার্স। জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭০ রানে থেমে যায় ঢাকা ক্যাপিটালস।
চলতি আসরে ৯ ম্যাচে এটি রংপুরের পঞ্চম জয়। চতুর্থ দল হিসেবে তারা প্লে-অফে জায়গা করে নিলো। বিপরীতে ৯ ম্যাচে মাত্র ২ জয়ে ঢাকার টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়। এর আগে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটান্স।
১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ঢাকার শুরুটা ছিল ঝোড়ো। কাইল মেয়ার্সের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান উসমান খান। প্রথম ওভারেই আসে ১৭ রান। তবে সেই গতি ধরে রাখতে পারেনি ঢাকা। পাওয়ার প্লের মধ্যেই তিনটি উইকেট হারায় দলটি। ১৮ বলে ৩১ রান করা উসমান খান আউট হন, আর আব্দুল্লাহ আল মামুন রানের খাতা খুলতেই পারেননি।
সাইফ হাসান প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকালেও ৬ বলে ১২ রান করে নাহিদ রানার গতিময় ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ৮ ইনিংসে মাত্র ৬০ রান করেছেন তিনি, গড় ৭.৫০ ও স্ট্রাইক রেট ৮৩.৩৩।
এরপর সাব্বির রহমান ও মোহাম্মদ মিঠুনকেও ফেরান নাহিদ রানা। চার ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন ২৩ বছর বয়সী এই পেসার। রংপুরের হয়ে ফাহিম আশরাফ নেন আরও ২ উইকেট।
শেষ দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন একাই লড়াই চালিয়ে যান। ৩ চার ও ৬ ছক্কায় ৩১ বলে অপরাজিত থেকে ক্যারিয়ারসেরা ৫৮ রান করলেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেননি তিনি।
এর আগে রংপুরের ইনিংসে দারুণ সূচনা এনে দেন দাভিদ মালান ও তাওহিদ হৃদয়। শুরুতে ধীরগতির হলেও পরে ছন্দে ফেরেন দুই ওপেনার। পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে আসে ৫০ রান, ১২তম ওভারে গিয়ে দলের রান পৌঁছে যায় ১০০-তে। ১৪ ওভারে ১২৬ রানের জুটি গড়েন তারা।
৬ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ বলে ফিফটি করেন মালান, আর হৃদয় ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৪০ বলে পূর্ণ করেন নিজের অর্ধশতক। ১৫তম ওভারে তাসকিন আহমেদের বলে স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন মালান, তার আগে ৪৯ বলে করেন ৭৮ রান। এরপর কাইল মেয়ার্সের সঙ্গে ১৮ বলে ৩৩ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। তিনি আউট হন ৪৬ বলে ৬২ রান করে। মেয়ার্স করেন ১৬ বলে ২৪ রান।
ঢাকার বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৩৩ রানে নেন ২ উইকেট। তবে মালান–হৃদয়ের বড় জুটিতে আগেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় রংপুর রাইডার্স।






































