
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো স্মার্টফোন কেনার জন্য বিশেষ ঋণ ও সহজ কিস্তি সুবিধা চালু করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছে দ্রুত বর্ধনশীল ফিনটেক প্ল্যাটফর্ম পামপে লিমিটেড।
রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের ডিজিটাল জীবনযাত্রা আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পামপে লিমিটেড জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই অনুমোদনের আওতায় তারা এক বছরের একটি পাইলট কর্মসূচি পরিচালনা করবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার গ্রাহককে স্মার্টফোন কেনার জন্য ঋণ এবং কার্ডবিহীন সহজ কিস্তি সুবিধা দেওয়া হবে। এর ফলে যাদের ক্রেডিট কার্ড নেই, তারাও এখন থেকে অনায়াসে কিস্তিতে পছন্দমতো স্মার্টফোন কিনতে পারবেন।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করা পামপে লিমিটেড মূলত মোবাইল অপারেটর ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করে আসছিল। এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবুজ সংকেত পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি তাদের ঋণসেবা আরও বড় পরিসরে বিস্তৃত করার সুযোগ পেল। এই উদ্যোগটি দেশে একটি ক্যাশলেস ও ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, স্মার্টফোন হলো সাধারণ মানুষের মাঝে ডিজিটাল ব্যাংকিং ও অন্যান্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রধান মাধ্যম। পামপের এই উদ্যোগের ফলে স্বল্প আয়ের মানুষও সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে তারা ডিজিটাল পেমেন্ট, অনলাইন ব্যাংকিং, শিক্ষা এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও বেশি পারদর্শী হয়ে উঠতে পারবেন।
এই মাইলফলক অর্জন প্রসঙ্গে পামপে বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুন জেং (ইথান) বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের এই অনুমোদন আমাদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ওপর আস্থার প্রতিফলন। স্মার্টফোন এখন আর্থিক অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি অপরিহার্য হাতিয়ার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা এদেশের আরও বেশি মানুষকে নিরাপদ ও কার্যকরভাবে ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ পাব।”
উল্লেখ্য, পামপে একটি বহুজাতিক ফিনটেক প্রতিষ্ঠান যা আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে সফলভাবে কাজ করছে। নাইজেরিয়ার বৃহত্তম ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি সিএনবিসি ও স্ট্যাটিস্তার ২০২৫ সালের ‘বিশ্বের শীর্ষ ৩০০ ফিনটেক কোম্পানি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশেও তারা তাদের এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আর্থিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চায়।










































