বৃহস্পতিবার । মার্চ ৫, ২০২৬
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ন
শেয়ার

হুমায়ুন ফরিদীর ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ


humayun-faridi

হুমায়ুন ফরীদি। ছবি: সংগৃহীত

নন্দিত অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদির আজ ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই কিংবদন্তি শিল্পী। দিনটি এলে ভক্ত ও সহকর্মীদের মনে এখনো নেমে আসে গভীর শোক ও স্মৃতিবেদন।

মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—অভিনয়ের প্রতিটি মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিয়ে গিয়েছিলেন অনন্য উচ্চতায়। শক্তিশালী সংলাপ, ব্যতিক্রমী চরিত্র নির্মাণ ও সাবলীল অভিনয়ের জন্য তাকে বলা হতো ‘অভিনয়ের কারিগর’। বাংলাদেশের নাট্য ও সিনেমা অঙ্গনে অসাধারণ ও অবিসংবাদিত চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি হয়ে আছেন স্মরণীয়।

তার বাবা এটিএম নূরুল ইসলাম ও মা বেগম ফরিদা ইসলাম। ইউনাইটেড ইসলামিয়া গভর্নমেন্ট হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাসের পর চাঁদপুর সরকারি কলেজে পড়াশোনা করেন। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত নাট্য উৎসবের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তিনি। সেখান থেকেই নাট্যাঙ্গনে পরিচিতি পান এবং ছাত্রাবস্থায় ঢাকা থিয়েটারের সদস্যপদ লাভ করেন।

নব্বইয়ের দশকে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন তিনি। ২০০৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। মৃত্যুর ছয় বছর পর ২০১৮ সালে তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। নাট্যাঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সম্মাননা পান।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে সন্ত্রাস, দহন, দিনমজুর, বীর পুরুষ, বিশ্ব প্রেমিক, আজকের হিটলার, শাসন, আঞ্জুমান, আনন্দ অশ্রু, মায়ের অধিকার, একাত্তরের যীশু, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি, ব্যাচেলর, যাত্রা, শ্যামল ছায়া, আহা!, কি যাদু করিলা, মেহেরজানসহ আরও অনেক ছবি।

অভিনয়ের মধ্য দিয়েই তিনি বেঁচে আছেন দর্শকের হৃদয়ে। তার চলে যাওয়ার এত বছর পরও শূন্যতাটা রয়ে গেছে অমলিন।