
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
নারীর প্রতি উগ্রবাদ নিয়ে দেওয়া নিজের বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে নির্বাচন ও বিরোধী দলের প্রসঙ্গ জুড়ে দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে রিজওয়ানা হাসান বলেন, একটি টেলিভিশন চ্যানেলে নারীর প্রতি উগ্রবাদ, মাজারে হামলা, বাউলদের ওপর নির্যাতন এবং নারীদের নিয়ে কটূক্তির বিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল। উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নারীদের নিয়ে কটূক্তির ঘটনায় নারী সমাজ প্রতিবাদ জানিয়েছে, লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছে এবং সরকারও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছে। ফলে অভিযুক্তরা ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছে। তিনি মূলত বলতে চেয়েছেন—এ ধরনের উগ্রবাদী শক্তিকে নারী সমাজ মূলধারায় আসতে দেয়নি।
তিনি আরও বলেন, আলোচনার এক পর্যায়ে উপস্থাপক নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুললেও তাঁর মূল বক্তব্য ছিল উগ্রবাদী শক্তি নিয়ে, কোনো রাজনৈতিক দল নিয়ে নয়। তাঁর দাবি, পুরো আলোচনায় তিনি কোনো দলের নাম উল্লেখ করেননি এবং বিরোধী দলও গণতান্ত্রিক মূলধারার অংশ।
এদিকে একই দিনে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান ও খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ অভিযোগ তোলে। দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের দাবি করেন, রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য থেকে নির্বাচনে কারচুপির ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তিনি এই দুই সাবেক উপদেষ্টাকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনে বিষয়টি পরিষ্কার করার আহ্বান জানান।






































