
ছবি: সংগৃহীত
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে রেকর্ড গড়া ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের সামনে ২৫৬ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টপ অর্ডারের তাণ্ডবে ৫ উইকেটে ২৫৫ রান তুলেছে স্বাগতিকরা, যা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।
রোববার (৮ মার্চ) টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। তার আমন্ত্রণে ব্যাট করতে নেমেই আগ্রাসী শুরু করে ভারতের ওপেনাররা।
ঝড়ো ব্যাটিংয়ের সূচনা করেন অভিষেক শর্মা। মাত্র ১৮ বলে অর্ধশতক তুলে নিয়ে তিনি বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ড গড়েন। তার তাণ্ডবে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই বিনা উইকেটে ৯২ রান তোলে ভারত, যা ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পাওয়ার প্লে সংগ্রহ। ২১ বলে ৫২ রান করে দলীয় ৯৮ রানে আউট হন অভিষেক।
এরপর ইনিংসের হাল ধরেন সঞ্জু স্যামসন ও ঈশান কিষান। দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ১৫ ওভারেই দুইশ রান ছাড়িয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে টানা তিন ম্যাচে শতকের সম্ভাবনা জাগিয়েও তা পাওয়া হয়নি স্যামসনের। ৫টি চার ও ৮টি ছক্কায় ৪৬ বলে ৮৯ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে কিছুটা ধাক্কা খায় ভারত। ৬ বলের ব্যবধানে তিন ব্যাটার আউট হলে ২০৪ রানে ৪ উইকেট হারায় দলটি।
নিউজিল্যান্ডের পক্ষে জোড়া আঘাত হানেন জিমি নিশাম। তিনি ২৫ বলে ৫৪ রান করা ঈশান কিষান এবং ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে আউট করেন। সূর্যকুমার গোল্ডেন ডাকে সাজঘরে ফেরেন। পরে হার্দিক পান্ডিয়া ১৩ বলে ১৮ রান করে আউট হলে ২২৬ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় ভারত।
শেষ ওভারে আবারও ঝড় তোলেন শিভম দুবে। প্রথম বলেই তার ক্যাচ ছেড়ে দেন কিউই অধিনায়ক স্যান্টনার। সেই জীবন পেয়ে ওই ওভারে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৪ রান তোলেন দুবে। তিনি ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন। অপর প্রান্তে ৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিলক বর্মা।
শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ২৫৫ রান তুলে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়ে ভারত। নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন জিমি নিশাম। এছাড়া একটি করে উইকেট পান ম্যাট হেনরি ও রাচিন রবীন্দ্র।










































