
দ্রুত তেল আমদানির অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব
দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দ্রুত তেল আমদানির অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
শনিবার (১৪ মার্চ) সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সরকারকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ও মন্ত্রণালয়ের ‘বাস্তবতা-বিবর্জিত’ রেশনিং প্রক্রিয়ার কারণে নতুন সরকারকে জনসমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, বিপিসির চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন কর্মকর্তা জ্বালানি সচিবকে ভুল তথ্য দিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই গত ১০ থেকে ১২ দিন ধরে সারাদেশে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। সরকারি ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রেখে রেশনিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিকের তুলনায় অর্ধেকেরও কম তেল সরবরাহ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
পাম্প মালিকদের মতে, সব ডিপোতে তেল সংরক্ষণের পর্যাপ্ত জায়গা নেই। তেলবাহী জাহাজ জেটিতে অপেক্ষায় থাকলেও পাম্পগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে তেল আসার দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই অনেক পাম্পে মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গণমাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত থাকার কথা বলা হলেও বাস্তবে ডিলাররা সংকটে রয়েছেন। ১৩ হাজার ৫০০ লিটার ধারণক্ষমতার একটি ট্যাঙ্কলরি ২০০ থেকে ২৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ডিপোতে এসে মাত্র ৪ থেকে ৬ হাজার লিটার তেল পাচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় দ্বিগুণ হলেও সরকার নির্ধারিত অভিন্ন মূল্যে তেল বিক্রি করায় অতিরিক্ত ব্যয় সমন্বয়ের সুযোগ নেই।
মালিক সমিতির দাবি, গত ১০ থেকে ১২ দিনের ঘাটতি আগামী এক মাসেও পূরণ করা কঠিন হবে। তাই ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার যদি পর্যাপ্ত তেল আমদানিতে সময় নেয় বা অপারগ হয়, তবে যেসব ব্যবসায়ীর সক্ষমতা রয়েছে তাদের মাধ্যমে দ্রুত তেল আমদানির অনুমতি দিয়ে বিপিসিকে সরবরাহ করা যেতে পারে। এতে বর্তমান সংকট মোকাবিলা সহজ হবে।










































