
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি। ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ২৩টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘সারায়া আওলিয়া আল-দাম’ এই ব্যাপক হামলার দায় স্বীকার করেছে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নিজেদের ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’-এর অংশ হিসেবে পরিচয় দেওয়া গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, গত একদিনে তারা ইরাকে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে অন্তত পাঁচটি হামলা চালিয়েছে। এছাড়া ইরাকের ভেতরে এবং অঞ্চলজুড়ে থাকা অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আরও ১৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ২৩টি হামলায় কয়েক ডজন ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে গোষ্ঠীটি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে।
এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। গত বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত ওই চিঠিতে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির কঠোর সমালোচনা করেন। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, চিঠিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন— “এই যুদ্ধ কি আদৌ ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বা আমেরিকার সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করছে?”
পেজেশকিয়ান সরাসরি মার্কিন নাগরিকদের কাছে জানতে চান, এই সংঘাতের মাধ্যমে তাদের কোন লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, আধুনিক ইতিহাসে ইরান কখনোই আগ্রাসন বা উপনিবেশবাদের পথ বেছে নেয়নি এবং কোনো যুদ্ধেরও সূচনা করেনি।
ইরানি প্রেসিডেন্ট আরও উল্লেখ করেন, ইরানকে বিশ্ববাসীর কাছে হুমকি হিসেবে তুলে ধরার যে প্রচেষ্টা চলছে, তা মূলত ক্ষমতাবানদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক লালসার ফল। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে, যা ওই অঞ্চলের জন্য বড় হুমকি।” উপসাগরীয় অঞ্চলের সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোতে ইরানের প্রতিদিনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে তিনি ‘বৈধ আত্মরক্ষা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।





































