
নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিও মারা গেছেন। গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ থাকা এ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় (ইউএসএফ) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি করছিলেন। তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত বৃষ্টি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে তিনি লেখেন, “আমার বোন আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।”
এর আগে একই ঘটনায় নিখোঁজ আরেক বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে ফ্লোরিডার হিলসবোরো কাউন্টি পুলিশ। এ ঘটনায় তার রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি এবং জামিল আহমেদ লিমন—দুজনই ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় (ইউএসএফ) পিএইচডি করছিলেন। লিমন ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে এবং বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যয়নরত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল লিমনের বাসায় তাকে শেষবার দেখা যায়। এরপর প্রায় এক ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিল্ডিংয়ে বৃষ্টিকে শেষবার দেখা যায়। এরপর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ না পেয়ে এক বন্ধু বিষয়টি পুলিশকে জানালে তদন্ত শুরু হয়।
তদন্তের এক পর্যায়ে শুক্রবার সকালে টাম্পার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই দিনে অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়ি থেকে পারিবারিক সহিংসতার একটি কল পাওয়ার কথাও জানিয়েছে শেরিফ অফিস।
লিমনের পর বৃষ্টির মৃত্যুর খবরে নিহতের পরিবার এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুই বাংলাদেশি মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন তাদের সহপাঠী ও স্বজনরা।









































