গল্পের শুরুটা ১৯৯৭ সালে, এইচএসসি পরীক্ষার টেবিলে যখন সোনালী ভবিষ্যতের স্বপ্ন বোনার কথা, ঠিক তখনই শিউলির শরীরে ধরা পড়ে ‘থ্যালাসেমিয়া’। চিকিৎসকরা জানালেন, তার হিমোগ্লোবিনের আয়ু মাত্র ২১ দিন। প্রতি মাসেই রক্ত নেওয়ার সেই যন্ত্রণাদায়ক অধ্যায় শুরু হলো। বিছানায় শুয়ে থাকা দিনগুলোতে পড়াশোনা থমকে গেলেও থামেনি তাঁর মনের গতি।
১৯৯৮ সালে মুক্তিযোদ্ধা বাবার অনুপ্রেরণায় যুব উন্নয়ন থেকে ব্লক-বাটিক ও ন্যাচারাল ডাইংয়ের ওপর প্রশিক্ষণ নেন তিনি। ২০০০ সালে বিয়ের পর উপহার হিসেবে নিজের হাতে বানানো কুশন কভার আর ম্যাট দিয়ে যে সৃজনশীলতার যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজও বহমান।











































