
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ময়মনসিংহে কোরবানিযোগ্য ২ লাখ ২৬ হাজারের বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার ছোট-বড় প্রায় ২৪ হাজার খামারে এখন চলছে শেষ সময়ের ব্যস্ত পরিচর্যা। তবে গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত মুনাফা নিয়ে খামারিদের মনে কিছুটা শঙ্কা কাজ করছে।
খামারিরা জানান, পশুগুলোকে কোনো ধরনের রাসায়নিক ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে বড় করা হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বিভিন্ন জেলাতেও এসব পশু বিক্রির আশা করছেন তারা।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, এবার ময়মনসিংহে চাহিদার তুলনায় বিপুল পরিমাণ কোরবানির পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। জেলায় কোরবানির পশুর মোট চাহিদা যেখানে ১ লাখ ৮১ হাজার ২৬৬টি, সেখানে বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৪৮টি পশু। অর্থাৎ চাহিদার চেয়েও ৪৫ হাজারেরও বেশি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। প্রস্তুতকৃত পশুর মধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৭টি গরু, ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬৬টি ছাগল, ৫ হাজার ৩৪৪টি ভেড়া এবং ৮৮৬টি মহিষ রয়েছে।
খামারিরা ভালো দাম পাওয়ার আশা করলেও তাদের মনে ভারত থেকে অবৈধ পথে গরু প্রবেশের শঙ্কা কাজ করছে।
সার্বিক বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ওয়াহেদুল আলম বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে কোরবানির পশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ৫৬টি মেডিকেল টিম গঠন করেছি। আর খামারিরা যাতে কোনোভাবেই ক্ষতির মুখে না পড়েন, সে বিষয়টি মাথায় রেখে সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো পশু অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ আমরা অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।”










































