sentbe-top

না ফেরার দেশে বেবী মওদুদ

baby moududবিশিষ্ট সাংবাদিক, সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সহপাঠী বেবী মওদুদ আর নেই (ইন্নালিল্লাহে…রাজিউন)। শুক্রবার দুপুরে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৬ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। বেবী মওদুদের মৃত্যুর খবর পেয়ে দুপুরেই হাসপাতালে ছুটে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে কিছু সময় অবস্থানকালে তিনি নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দেন।

বেবী মওদুদের বড় ছেলে রবিউল হাসান অভি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পর ধানমন্ডির ঈদগাহ মসজিদে তার মায়ের জানাজা হবে। সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে জাতীয় প্রেসক্লাবে। রাতে বনানী কবরস্থানে স্বামী অ্যাডভোকেট মো. হাসান আলীর কবরেই দাফন করা হবে বেবী মওদুদকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাবেক শিক্ষার্থী পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৭১ সালে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাওয়ার আগে ১৯৬৭-৬৮ সময়ে রোকেয়া হল ছাত্রী সংসদের সদস্য হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। নব্বইয়ের দশকে যু্দ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবিতে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আন্দোলনেও সোচ্চার ছিলেন বেবী মওদুদ। নবম জাতীয় সংসদে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়ে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এবং লাইব্রেরীর কমিটির সদস্য হিসাবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৪৮ সালের ২৩ জুন জন্মগ্রহণ করা বেবী মওদুদ ছিলেন বিচারপতি আবদল মওদুদ ও মা হেদায়েতুন নেসার ছয় পুত্র ও তিন কন্যার মধ্যে তৃতীয়। কর্মজীবনে তিনি তিনি বিবিসি, বাসস, সাপ্তাহিক বিচিত্রা, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স এডিটর হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

sentbe-top