sentbe-top

টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা

নেদারল্যান্ডসের বিশ্বকাপ জয় বা সার্জিও গার্সিয়ার গলফ মেজর শিরোপা বা ডেভিড ফেরারের গ্র্যান্ডস্লাম। এ সাফল্য এই দল বা খেলোয়াড়দের হাতে মানায় না, এটা বলার লোক খুব একটা নেই; বরং যেদিন নিজ নিজ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শিরোপা তাদের হাতে উঠবে তখন সবার মুখে একটাই স্বীকারোক্তি থাকবে- এটা তাদের প্রাপ্য। এই প্রাপ্য শব্দটা এখন যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আবার শ্রীলঙ্কার সঙ্গেও। যেমন সোমবার শেষ হওয়া কলম্বো টেস্টে দারুণ খেলেছে শ্রীলঙ্কা। প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স নিজেই স্বীকার করেছেন তা। তাই শেষ টেস্টে জয়ের কথা ছিল লঙ্কানদের, কিন্তু তা হয়নি। ম্যাচ ড্র করল দক্ষিণ আফ্রিকা; জিতল সিরিজ। তবে এখানেও প্রাপ্যতার কথা আসছে। প্রোটিয়াদেরও এ সিরিজ জয়টা প্রাপ্য ছিল। বছরজুড়ে দুর্দান্ত খেলেছে দলটি, শ্রীলঙ্কার মাটিতে এসে গল টেস্টেও দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে। সেই সুফল তারা পেয়েছে সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে। শ্রীলঙ্কার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়, যা বিরাট গৌরবের। প্রোটিয়াদের এ গৌরবের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ২১ বছর। যে জয় দক্ষিণ আফ্রিকাকে সুযোগ দিয়েছে টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করার।

968946_385448694893866_83019817_n.jpg_9118_0.968946_385448694893866_83019817_nদুই দলের দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগে থেকেই পরিস্থিতি এমন ছিল। প্রোটিয়াদের জন্য বিষয়টি ছিল-যে করেই হোক সিরিজ জেতা চাই। ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর লক্ষ্য। সিরিজের এক ম্যাচ জিতে থাকায় শুধু ড্র প্রয়োজন ছিল প্রোটিয়াদের। তাই অধিনায়ক হাশিম আমলা নিজেও বলে যান ম্যাচের দু’দিন পর সিদ্ধান্ত নেবেন, কি করার। কলম্বো টেস্টের দু’দিন পর স্পষ্ট ছিল তাই। শেষ ইনিংসে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা সবাই দাঁড়িয়ে যান উইকেট আগলে। ৩৭০ রানের টার্গেট আর দিনদেড়েক বাকি থাকলেও জয়ের পেছনে ছোটেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে শ্রীলঙ্কান স্পিনারদের সামলে ওঠা প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের জন্য ছিল বিরাট বাধা। সেই বাধায় অল্পের জন্য আটকে গিয়েছিল প্রোটিয়ারা। ভারনন ফিল্যান্ডারের অনড় অবস্থান শেষ পর্যন্ত বাঁচিয়ে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ৩৭০ রানের টার্গেটে ৮ উইকেটে ১৫৯ রানে পঞ্চম দিন শেষ করে তারা। সেইসঙ্গে লঙ্কানদের মাটিতে ১৯৯৩ এর পর প্রোটিয়াদের প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় নিশ্চিত হয়। আলোকিত বাংলাদেশ।

sentbe-top