
পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ। ছবি: সংগৃহীত
উত্তর আরব সাগরে ব্যাপক সামরিক মহড়া চালিয়েছে পাকিস্তান। মহড়ার সময় দেশটির নৌবাহিনী সফলভাবে সারফেস-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, আধুনিক নৌযুদ্ধের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত এই মহড়ার মাধ্যমে নৌবাহিনী তাদের অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং যুদ্ধ সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। মহড়ায় প্রচলিত অস্ত্রশক্তির পাশাপাশি মানববিহীন (আনম্যানড) সক্ষমতারও প্রদর্শন করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মহড়ার অংশ হিসেবে ভার্টিক্যাল লঞ্চিং সিস্টেম থেকে এলওয়াই-৮০ (এন) সারফেস-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে নিক্ষেপ করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটি নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে এবং নৌবাহিনীর আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দীর্ঘপাল্লার সক্ষমতা যাচাই করা সম্ভব হয়।
মহড়ার সময় লয়টারিং মিউনিশনের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের লক্ষ্যবস্তুতেও নিখুঁত হামলা চালানো হয়। মানববিহীন অস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়েছে, যা নৌবাহিনীর নির্ভুল আঘাত হানার সক্ষমতা প্রদর্শন করে।
একই সঙ্গে একটি মানববিহীন সারফেস ভেসেলের উন্মুক্ত সমুদ্র পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আইএসপিআর জানিয়েছে, এটি স্বয়ংক্রিয় নৌপ্রযুক্তিতে পাকিস্তানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। পরীক্ষায় নৌযানটির উচ্চগতির পারফরম্যান্স, টেকসই সক্ষমতা, কৌশলগত চালনা, নিখুঁত নেভিগেশন এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় কার্যকারিতা যাচাই করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই মানববিহীন নৌযানটি কম ঝুঁকিতে উচ্চ কার্যকারিতা সম্পন্ন কৌশলগত সমাধান হিসেবে কাজ করবে। মহড়াটি পাকিস্তান নৌবাহিনীর কমান্ডার প্রত্যক্ষ করেছেন। নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফ অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তা ও সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার প্রশংসা করেছেন।









































