
ছবি: সংগৃহীত
শরীফুল ইসলামের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ১২৬ রানেই গুটিয়ে যায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সতীর্থের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও রান তাড়ায় নেমে শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক শেখ মেহেদীর দৃঢ় নেতৃত্বে ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় দলটি।
১২৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২৯ রানে ৪ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। এরপর আরও একটি উইকেট পড়লেও বিপদ সামলে নেন মেহেদী। ষষ্ঠ উইকেটে পাকিস্তানের ব্যাটার আসিফ আলিকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ ৫৯ রানের জুটি। ইহসানউল্লাহকে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করেন অধিনায়ক মেহেদী।
৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪৯ রান করেন শেখ মেহেদী। মাত্র এক রানের জন্য এবারের বিপিএলে নিজের প্রথম ফিফটি হাতছাড়া হয় তার। অপরদিকে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন আসিফ আলি। নোয়াখালীর হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন পাকিস্তানের পেসার ইহসানউল্লাহ।
এই হারে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেলো নোয়াখালী এক্সপ্রেস। শেষ ম্যাচে রংপুরকে হারালেও তাদের পক্ষে শেষ চারে ওঠা সম্ভব নয়। ৯ ম্যাচে দলটির পয়েন্ট দাঁড়ালো ৪। অন্যদিকে এই জয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের সমান ১২ পয়েন্ট পেলেও নেট রানরেটে এগিয়ে থেকে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে চট্টগ্রাম।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পেলেও মাঝপথে ধসে পড়ে নোয়াখালীর ইনিংস। অধিনায়ক মেহেদীর নেতৃত্বে শুরু হলেও শেষটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেন শরীফুল ইসলাম। বাঁহাতি এই পেসার একাই ৯ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন। প্রতিপক্ষের ছয় ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন ওপেনার হাসান ইসাখিল।
ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন শরীফুল। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে কম রানে পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। এর আগে ২০২৪ সালে ১২ রানে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন আবু হায়দার রনি। বিপিএলের সামগ্রিক রেকর্ড এখনো পাকিস্তানের মোহাম্মদ সামির—৬ রানে পাঁচ উইকেট।















































