মঙ্গলবার । মার্চ ৩১, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক জাতীয় ৩০ মার্চ ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শেয়ার

বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান ও লাগেজ চুরি নিয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা


biman-minister

ছবি: সংগৃহীত

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আজ সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কুর্মিটোলা সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তারা বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, বিশেষ করে প্রবাসীদের সঙ্গে ক্রু-স্টাফদের আচরণ এবং লাগেজ চুরির মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে কড়া নির্দেশনা দেন।

সকালবেলা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সদর দপ্তরে পৌঁছালে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. হুমায়রা সুলতানা এবং অন্যান্য পরিচালকরা তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এরপর বিমানের কনফারেন্স কক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস দেশের জাতীয় গর্বের প্রতীক। এই প্রতিষ্ঠানকে আরো আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’ তিনি বিমানকে অনুসরণীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

লাগেজ চুরির বিষয়ে মন্ত্রী অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, এ ধরনের ঘটনায় যেন কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া না হয়। এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

যাত্রীদের সঙ্গে, বিশেষ করে প্রবাসীদের সঙ্গে কেবিন ক্রুসহ সব কর্মীর আচরণ সম্মানজনক ও পেশাদার করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশের রেমিট্যান্স যোদ্ধা, তাদের সেবায় কোনো প্রকার অবহেলা সহ্য করা হবে না।

টিকিট বিক্রি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, টিকিটের অপ্রাপ্যতা নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ রয়েছে। ফ্লাইটে আসন শূন্য থাকা সত্ত্বেও কেন টিকিট পাওয়া যায় না, তা কার্যকরভাবে তদারকি করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ২০৩২ সাল নাগাদ বিমানের বহরে নতুন এয়ারক্রাফট যুক্ত হতে পারে। তিনি ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিমানের অপারেশনাল কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে, তার একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিমান ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টার (বিএফসিসি) ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা হজযাত্রীদের সেবা ও ফ্লাইটের খাবারের মান বজায় রাখার ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।