
ফাইল ছবি
‘ইংরেজি শেখাতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ডে পাঠানো হচ্ছে’—এমন তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মানসুর হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংবাদটির প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি সচিবদের জন্য নয়; বরং এটি সরকারের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক মানের যোগ্যতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ। ‘স্ট্রেংদেনিং ইনস্টিটিউশনাল ক্যাপাসিটি অব বিয়াম ফর কনডাকটিং কোর কোর্সেস’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় তিনটি কোর্স চালু রয়েছে—গভর্ন্যান্স–ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট–প্রকিউরমেন্ট (জিএফএমপিপি), নেগোসিয়েশন স্কিলস অ্যান্ড ইংলিশ প্রফিসিয়েন্সি (এনএসইপি) এবং পলিসি ফরম্যুলেশন: ই-গভর্ন্যান্স অ্যান্ড আইসিটি (পিএফ:ইজিআইসিটি)।
মন্ত্রণালয় জানায়, প্রশিক্ষণটি জাপান সরকারের ডিআরজিএসিএফ ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত হবে—বাংলাদেশ সরকারের কোনো ব্যয় নেই। ফলে কোষাগারের টাকা খরচ হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন।

এছাড়া, সংবাদে প্রশিক্ষণের স্থান পাতায়া উল্লেখ করাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও উল্লেখ করা হয়। মন্ত্রণালয় জানায়, ইউরোপের পরিবর্তে কম ব্যয়ে এশিয়ার কোনো দেশে—যেমন থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে—প্রশিক্ষণ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে; তবে পাতায়ার নাম ব্যবহার করে এটিকে পর্যটনকেন্দ্রিক দেখানোর অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রস্তাবটি এখনো একনেকের অনুমোদন পায়নি। অর্থাৎ এটি প্রক্রিয়াধীন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। তথ্য-উপাত্ত যাচাই ছাড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বিয়াম ফাউন্ডেশনের জন্য বিব্রতকর বলে মন্তব্য করা হয়।









































