
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
শান্তি আলোচনা প্রসঙ্গে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে দেশটিতে আরও কঠোর ও বিধ্বংসী হামলা চালানো হবে।
শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে আরো কঠোর ও বিধ্বংসী হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরুর কয়েকঘণ্টা আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নিউইয়র্ক পোস্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমন হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইরানে আঘাত হানতে মার্কিন রণতরীগুলোকে অত্যাধুনিক সব মারণাস্ত্রে সজ্জিত করা হচ্ছে।
বর্তমান সামরিক অবস্থানকে রিসেট বা নতুন বিন্যাস হিসেবে বর্ণনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, একটি রিসেট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। মার্কিন রণতরীগুলো এ পর্যন্ত তৈরি করা বিশ্বের সেরা সব গোলাবারুদ ও অস্ত্র দিয়ে বোঝাই করা হচ্ছে। যেগুলো আগের চেয়ে আরো বেশি উন্নত। চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে, এসব অস্ত্র অত্যন্ত কার্যকরভাবে প্রয়োগের হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প।
ইসলামাবাদের শান্তি আলোচনা সফল হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা জানা যাবে।
এদিকে ট্রুথ সোশ্যালে আলাদা এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরানিদের কোনো তাস নেই এবং তারা কেবল আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহার করে বিশ্বের কাছ থেকে জোরপূর্ব অর্থ আদায় করতে পারে। তিনি আরও লেখেন, ‘তাদের কিছু নেতাকে শুধুমাত্র আলোচনায় বসার জন্য বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে!’
অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ তুলেছেন ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ।
শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ইরানের সদিচ্ছা থাকার পরও এক বছরের কম সময়ের মধ্যে আলোচনার মাঝপথে দুইবার তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে এবং অসংখ্য যুদ্ধাপরাধ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু (আমেরিকানদের ওপর) আমাদের আস্থা নেই।’ ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক উল্লেখ করেন, যদি আমেরিকান পক্ষ একটি প্রকৃত চুক্তির জন্য প্রস্তুত থাকে এবং ইরানি জাতির অধিকার মেনে নিতে রাজি হয়, তবে তারা ইরানের পক্ষ থেকেও একটি চুক্তির জন্য প্রস্তুতি দেখতে পাবে।
পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।




































