
ছবি: সংগৃহীত
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ শুরু করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সাঁড়াশি অভিযান সফল করতে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে একটি শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী ও ১১টি ডেস্ট্রয়ারসহ অন্তত ১৫টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে।
যদিও নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি জাহাজের অবস্থান বা কোনোটি এই মুহূর্তে সরাসরি অভিযানে যুক্ত আছে তা নির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে সামরিক কৌশল অনুযায়ী এগুলোকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাভুক্ত বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন রাখা হয়েছে।
এই বিশাল নৌ-বহরে বিমানবাহী রণতরী হিসেবে রয়েছে ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’। এছাড়া ১১টি শক্তিশালী ডেস্ট্রয়ার এই অভিযানে অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে ইউএসএস বেইনব্রিজ, ইউএসএস থমাস হুডনার, ইউএসএস ফ্রাঙ্ক ই. পিটারসেন জুনিয়র, ইউএসএস ডেলবার্ট ডি. ব্ল্যাক, ইউএসএস জন ফিন, ইউএসএস মাইকেল মারফি, ইউএসএস মিটশার, ইউএসএস পিঙ্কনি, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা, ইউএসএস স্প্রুয়েন্স এবং ইউএসএস মিলিয়াস।

পাশাপাশি ত্রিপোলি অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপের অধীনে ইউএসএস ত্রিপোলি, ইউএসএস নিউ অরলিন্স ও ইউএসএস রাশমোরকেও এই অভিযানে যুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইউএসএনআই নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ববর্তী অভিযানে অংশ নেওয়া ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড’ বিমানবাহী রণতরীটি গত মাসে মেরামতের জন্য গ্রিসে পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে এটি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে বেশ কিছু ডেস্ট্রয়ার ও সহায়তাকারী জাহাজসহ অবস্থান করছে।
তবে এই মুহূর্তে চলমান নৌ-অবরোধে যোগ দিতে হলে এই বহরটিকে সুয়েজ খাল পার হয়ে অথবা পুরো আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসতে হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধের দামামা বাজছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।




































