
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। সিলেট বিভাগের কয়েকটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে ৫টি জেলায় বন্যার সম্ভাবনার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ এর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন।
সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “টানা ভারি বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জসহ হাওরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কৃষকরা মাঠে নেমে কষ্ট করে ধান কাটছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “গত তিন দিন আগে আবহাওয়া রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আমি সুনামগঞ্জসহ হাওর অঞ্চলের তিনটি জেলার স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছিলাম। আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ভিত্তিতে বৃষ্টিপাত হলে তারা যেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।”
হাওর অঞ্চলের কৃষকদের দুর্দশা ও ক্ষতিকে খুবই বেদনাদায়ক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ অধিবেশন শুরুর আগেই তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন।
তিনি আরও বলেন, “মন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়ে এসেছি যে, হাওরের এই তিনটি জেলাসহ ময়মনসিংহের কিছু অঞ্চল প্রবল বর্ষণে নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। এই এলাকাগুলোতে যেসব কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের খুঁজে বের করে আগামী তিন মাস সহায়তা দেওয়া হবে।”
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই ঘোষণায় হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস অনুসারে, ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েকদিনে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।
কৃষকরা বর্তমানে পাকা ধান দ্রুত কেটে তোলার চেষ্টা করছেন, যদিও বৃষ্টি ও পানি বৃদ্ধির কারণে তাদের কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।








































