
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ করেছেন, কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হলেই যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযানের পথ বেছে নেয়। শুক্রবার এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, চাপের মুখে ইরানের জনগণ কখনো নতি স্বীকার করবে না।
হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উভয়পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। মার্কিন বাহিনী আরও কয়েকটি ইরানি জাহাজে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান ব্যবহার করে তাদের যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
এ পরিস্থিতির মধ্যেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি এখনও কার্যকর রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান দ্রুত চুক্তিতে সই না করলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবের জবাব শুক্রবার দিতে পারে ইরান। ইতালি সফরকালে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তেহরান গুরুত্বের সঙ্গে প্রস্তাবটি বিবেচনা করবে।
এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি এই নৌপথ দিয়ে পরিবহন হওয়ায় সেখানে অচলাবস্থা তৈরি হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম জানিয়েছে, ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী দুটি খালি তেলবাহী ট্যাংকারকে ইরানের বন্দরে ঢুকতে বাধা দিতে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে ৭০টির বেশি ট্যাংকারকে ইরানি বন্দর থেকে প্রবেশ বা বের হতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী।
অন্যদিকে ইরান অভিযোগ করেছে, হরমুজ প্রণালির কাছে একটি তেলবাহী জাহাজ ও উপকূলীয় কয়েকটি এলাকায় মার্কিন হামলা হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব উপকূলে হামলায় একটি মালবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং অন্তত ১০ নাবিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।







































